ওঙ্কার ডেস্ক: পরকীয়ায় পথের কাঁটা ছিল স্বামী, তাই প্রেমিকের সঙ্গে মিলে তাঁকে খুন করেছিল স্ত্রী। যদিও দাবি করেছিল, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সেই খুনের প্রায় এক মাস পর মৃতদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছিল।
রিপোর্ট অনুসারে, নিহত ব্যক্তির নাম পরমেশ। কর্নাটকের তুমকুর জেলার বাসিন্দা তিনি। ৫০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি পেশায় দিনমজুর। ২৯ জানুয়ারি রাতে তিনি মারা যান। তাঁর স্ত্রী ৪৬ বছর বয়সী পি আশা আত্মীয়স্বজনদের জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। পরিবার শেষকৃত্যও সম্পন্ন করে পরের দিন। স্বামীর মৃত্যুর ২০ দিন পর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, আশা ৪৮ বছর বয়সী চন্দ্রপ্পাকে বিয়ে করে। আর এর ফলে সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। পরমেশের বোনরা অভিযোগ করে, মৃত্যুটি অস্বাভাবিক। শরীরে সন্দেহজনক চিহ্নের ইঙ্গিত মিলেছে বলে দাবি করে তারা। এক বোনের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে। তদন্তের জন্য মৃতদেহ কবর থেকে তোলা হয়।
ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্বাভাবিক মৃত্যুর কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। বরং তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বলে লক্ষণ পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে আশা এবং চন্দ্রপ্পা হত্যার কথা স্বীকার করেছে। দুজনকেই গ্রেফতার করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
