স্পোর্টস রিপোর্টার : প্রবল বৃষ্টিতে বিএসএসের কাছে আটকে গেলো ইস্টবেঙ্গল। নিজেদের ঘরের মাঠে ৩-৩ ব্যবধানে ড্র করলো টিম লাল হলুদ। বলা ভালো হার বাঁচালো। পরপর ৫ ম্যাচে লিগে জেতা হল না টিম লাল হলুদের। এদিন জেসিন টিকে আর পিভি বিষ্ণুকে ছাড়াই তন্ময় দাসের নেতৃত্বে নামে ইস্টবেঙ্গল । ম্যাচের ৫ মিনিটেই ডান প্রান্ত থেকে ভেসে আসা অনবদ্য সেন্টারকে কাজে লাগিয়ে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণকে স্তম্ভিত করে গোল। সেই ভুলেরই পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে এগিয়ে যায় বেহালা। ১৫ মিনিটে আকাশ হেমব্রমের জোরালো হেড দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন বেহালার গোলরক্ষক অভিজিৎ কর। তবে আকাশই শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরানোর মূল কারিগর। ৩০ মিনিটে দুরন্ত গতিতে ডান দিক দিয়ে যেভাবে তিনি উঠে এলেন, তার জন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। আকাশের বাড়ানো নিখুঁত ক্রস থেকে উড়ন্ত হেডারে বিজয় মুর্মুর গোলে সমতায় ফেরে ইস্টবেঙ্গল। যদিও সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৭ মিনিট পরই বেহালাকে এগিয়ে দেন শ্লোক।
বজ্রপাতের কারণে ৪০ মিনিটের মাথায় ম্যাচ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন আধিকারিকরা। বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ হওয়ার পর শুরু হয় খেলা। প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে (৪৬ মি.) ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন বিজয়। গোল হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৭ মিনিটে সুখরাম সর্দারের গোলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বেহালা। তিন মিনিট পর হ্যান্ডশেকিং দূরত্ব থেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন শ্লোক। গোলটি পেলে হ্যাটট্রিক পেয়ে যেতে পারতেন। ৫৩ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের মনতোষ মাঝির জোরালো শট দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন বেহালার গোলরক্ষক। ৫৬ মিনিটে আকাশের হেডও প্রতিহত করেন তিনি। তবে ৬২ মিনিটে সুযোগসন্ধানী মহম্মদ বেলাল বাঁ পায়ের আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান কমিয়ে লাল-হলুদকে ম্যাচে ফেরান। গোলের সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারছিল না ইস্টবেঙ্গল। তাঁদের জয়ের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন অভিজিৎ করের দস্তানা। একের পর সেভ করলেও ৯১ মিনিটে পরাস্ত হন। মনতোষ মাজির গোলে সমতায় ফেরে লাল-হলুদ। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফলাফল থাকে ৩-৩।