স্পোর্টস রিপোর্টার : মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব প্রশাসনে এখন তরুণ তুর্কির জমানা। হুমায়ুনকে সরিয়ে নতুন সভাপতি গজল জাফর। মহামেডান সচিব ওয়াসিম আক্রম জানিয়ে দিলেন, বাবর, বাবরি, হুমায়ুন- এরা কোনও হরিদাস পাল নয়।
গজল জাফর পার্ক সার্কাসের বাসিন্দা। বহুদিন ধরে ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর হাত ধরে ইনভেস্টর আসবে আশায় সাদা কালো কর্তারা। সভাপতির চেয়ারে বসে হুমায়ুন কবীর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিন মাসে ২৫ কোটি টাকা দেবেন। কিন্তু শুরুতেই তাঁর চেকবাউন্স করে। ১৭ জুলাই, ২০ জুলাই এবং ৩০ জুলাই ৫০ লক্ষ টাকা করে মোট তিনটি চেক ইস্যু করেছিলেন। কিন্তু তিনটিই ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পর বাউন্স করে বলে অভিযোগ। হুমায়ুন কবীরের দাবি, ক্লাবের স্বার্থেই চেক দেওয়া হয়েছিল এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তা ক্লিয়ার হয়ে যাবে। তাঁর দাবি, ট্রান্সফার ব্যানের বিষয়টি মেটাতে ক্লাব সচিব ইতিমধ্যেই ফিফার কাছে অতিরিক্ত সময় চেয়ে নিয়েছেন। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, তাঁর অনুমতি ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের আগে চেক জমা দেওয়া হয়েছিল। সব মিলিয়ে কয়েক দিনের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
অন্যদিকে, ক্লাবের সহ-সভাপতি ওয়াসিম আক্রম দাবি করেন, সভাপতি যে তিনটি চেক দিয়েছিলেন, তিনটিই ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত এসেছে। তাঁর কথায়, হুমায়ুন কবীর যে তারিখে চেক জমা দিতে বলেছিলেন, সেই দিনেই তা জমা দেওয়া হয়েছিল এবং তখনই ব্যাঙ্ক জানায় অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। এদিন সচিব ওয়াসিম আক্রম বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে হুমায়ুন কবির বলেন আমাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বার করে দেবেন। এই ধরণের মন্তব্য করতে থাকেন। বাবর, বাবরি, হুমায়ুন এরা কেউ হরিদাস পাল নয়। বাবর, বাবরি মহমেডান ক্লাবের সঙ্গে ম্যাটার করে না। একটাই নাম ম্যাটার করে, মহম্মদ। আমরা মহমেডান লাভার্সরা এটা মেনে নিতে পারব না।আমাদের সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের কোনও যোগাযোগ হচ্ছে না। আমাকে কোনও মেসেজ করেননি, ফোন করেননি। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলছেন। কিন্তু আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই।”