ওঙ্কার ডেস্কঃ তৃণমূলের ভাঙনের পর এবার দুই শিবিরের লড়াই কমিশনে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের দল দখলের যাবতীয় চাল ভেস্তে দিতে রাতারাতি কমিশনের দ্বারস্থ হলেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের তৈরি সংশোধিত জাতীয় কর্মসমিতি ও সাংগঠনিক স্তরের যাবতীয় তথ্য পাঠালেন কমিশনে। তাতে চেয়ারপার্সন হিসেবে নিজের নাম, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। এছাড়া রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, যুগ্ম সম্পাদক পদে ডেরেক ও ব্রায়েন, দোলা সেনের নাম এবং কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তীর নাম রয়েছে।
সোমবার নিউটাউনের হোটেলে ঋতব্রতপন্থী দলের তরফে নতুন করে ঘোষণা করা হয়েছে জাতীয় কর্মসমিতি। তাতে মমতা কিংবা অভিষেকের কোনও জায়গাই হয়নি। দলের চেয়ারপার্সন হয়েছেন অরূপ রায়। সাধারণ সম্পাদক ঋতব্রত-সহ চারজন। এছাড়া বিভিন্ন পদে রয়েছেন ঋতব্রতপন্থী নেতারাই। নিয়ম মেনে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই নতুন কমিটিকে নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত করার কথা জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তার আগে রাতারাতি পালটা চাল দিল তৃণ্মূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, সোমবার নিউটাউনের হোটেলে যখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে নিজেদের জাতীয় কর্মসমিতি তৈরিতে ব্যস্ত ছিল, সেই সময় নতুন কমিটি তৈরি করে তা নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর উদ্যোগ নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন তালিকায় চেয়ারপার্সন হিসাবে তিনি সই করেছেন। ৫ জুন কালীঘাটে তৈরি হওয়া জাতীয় কর্মসমিতিতে অরূপ বিশ্বাসকে রাখা হলেও, সোমবারের সংশোধিত তালিকা থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে।