ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত মামলায় যুক্ত হওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ঋতব্রত গোষ্ঠীর জোড়াফুল শিবির। কিন্তু সেই আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল, তাই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অধিকার কেবলমাত্র তাঁদেরই। সে কারণে মামলায় তাঁদের পার্টি করা হোক বলে আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চ সেই আর্জিতে সাড়া দিল না।
উল্লেখ্য, অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তবে লেনদেনের বিষয়ে জানাতে হবে আদালত নিযুক্ত বিশেষ আধিকারিককে। কিন্তু আদালত এই নির্দেশ দেওয়ার আগেই তৃণমূলের সেই তিনটি অ্যাকাউন্টই বাজেয়াপ্ত করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অ্যাকাউন্টগুলিতে লেনদেনের আর্জি জানিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয় মমতাপন্থী তৃণমূল।
অন্যদিকে রবিবারই আলিপুর আদালত জানিয়েছে ঋতব্রররাই আসল তৃণমূল। নিম্ন আদালতের সেই রায়কে হাতিয়ার করেন ঋতব্রতরা। সেই নির্দেশকে অস্ত্র করে এদিন আদালতে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের দাবি তোলেন তাঁরা। যদিও ইডি-র আইনজীবী এসভি রাজু সোমবার আদালতে বলেন, ‘গতকাল এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নিম্ন আদালত। সেটা গোপন রাখা হয়েছে আজ হাই কোর্টে।’ এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন করেন, নিম্ন আদালতের এই মামলায় মমতা পন্থীদের কি পার্টি করা হয়েছিল? এই শিবিরের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, ‘গোপন করার কথা হচ্ছে কেন? যেখানে এটা অর্ডার হয়েছে। কাউকে পার্টি করা হয়নি মামলায়।’