ওঙ্কার ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর জোড়াফুল শিবির ছেড়ে এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছেন উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়েছেন আরও ১৯ সাংসদ। যা নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই আবহে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানিকর পোস্টার পড়ল তাঁর কেন্দ্রের একাধিক জায়গায়। ওই পোস্টারে সাংসদকে ‘বেইমান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
পোস্টারে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রয়েছে, সেই সঙ্গে লেখা হয়েছে, ‘বেইমান আর চোরটা, নয়না দিদির বরটা।’ পোস্টারের প্রচারক হিসাবে নাম রয়েছে কুণাল ঘোষ এবং তাপস রায়ের। তবে পোস্টারে যে কুণালের নাম রয়েছে, তিনি বেলেঘাটার বিধায়ক কিনা, পোস্টারে উল্লেখিত তাপস মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক কিনা, তা পরিষ্কার নয়। যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, পোস্টারে উল্লেখিত কুণাল তিনি নন। তবে বক্তব্যের সঙ্গে তিনি একশো শতাংশ সহমত বলে জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছেন, এই পোস্টারের সঙ্গে তিনি কোনও ভাবে যুক্ত নন। তাঁর বক্তব্য, এলাকার মানুষ সুদীপের উপর তিতিবিরক্ত।
সোমবার সন্ধ্যা থেকেই উত্তর কলকাতার তালতলা, বঙ্গবাসী কলেজ, ক্রিক রো, রেলওয়ে কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্কের কাছে সুদীপের বিরুদ্ধে ওই পোস্টার পড়তে দেখা যায়। কে বা কারা এই পোস্টার মেরেছে, তা এখনও জানা যায়নি। পোস্টারে কুণাল এবং তাপসের নাম থাকাটাও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ কুণাল এবং তাপস দুজনে দুই ভিন্ন দলে থাকলেও দুজনেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোর বিরোধী। তাপস রায় একদা সুদীপকে সাদা হাতি বলে তোপ দেগেছিলেন। অন্য দিকে কুণাল ঘোষ প্রায় সময় সুদীপকে পরচুলওয়ালা বলে আক্রমণ করেন।