ওঙ্কার ডেস্ক: ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেছে। এখনও তারাতলা বিপর্যয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ চাপা রয়েছেন কিনা, তা দেখা হচ্ছে। তবে শ্রমিকদের সঠিক তথ্য মিলছে না। কারণ এত বড় গুদাম এবং কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণের কাজ চললেও সেখানে ছিল না কোনও রেজিস্টার। তাই সিটের আধিকারিকদের তথ্যের খোজে হয়রান হতে হচ্ছে।
কেন কোনও রেজিস্টার ছিল না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এ বিষয়ে অ্যাডিশনাল সিপি জানান, বন্দরের থেকে এই জায়গাটি লিজ নিয়েছিল শম্ভুনাথ বহেরা। তিনিই ওই জায়গাটি গুদাম এবং কোল্ডস্টোরেজ তৈরি করছিলেন। ঠিকাদারি সংস্থা অয়ন ট্রেডার্স সেখানে কাজ করছিল। ওই কাজই করাচ্ছিলেন আসগার হোসেন। পুলিশের দাবি, এই বিপর্যয়ে প্রাণ গিয়েছে আসগরের। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর, মৃত আজগার হোসেনের বিরুদ্ধে ইকবালপুর এবং দক্ষিণ বন্দর থানায় পুরনো দু’টি মামলা রয়েছে। সৈয়দ মহম্মদ গুলজারের বিরুদ্ধেও পুরনো মামলা রয়েছে।
এদিকে, এই বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন মোট ১১ জন। জখম অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ১৯ জন।