ওঙ্কার ডেস্ক : সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরুর ঠিক আগে সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, এই অধিবেশন কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয় বরং দ্রুত অগ্রগতির দিকে জাতিকে উজ্জীবিত করার একটি সুযোগ।
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “সংসদের এই শীতকালীন অধিবেশন কেবল একটি আচার-অনুষ্ঠান নয়। আমি সম্পূর্ণরূপে আত্মবিশ্বাসী যে এটি দেশের উন্নয়নের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার নতুন শক্তি সঞ্চার করবে।” গণতন্ত্রের শক্তির উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে ভারত সর্বদা তার গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যকে দৃঢ়তার সঙ্গে সবার উপরে রেখেছে। তিনি বলেন, “ভারত গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রেখেছে।”
গণতন্ত্রের উৎসাহ ও উদ্দীপনা মাঝে মাঝে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করে বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক বিহার নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী এগুলিকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। বলেছেন, অনেক দল তাদের পরাজয়ে হতাশ। বিরোধীদের পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে ওঠা উচিত। এমন কি যদি বিরোধীরা প্রয়োজন মনে করে তাহলে তিনি তাঁদের এগিয়ে চলার টিপস্ দিতে রাজি বলেও জানালেন।
নাম না করে রাহুল গান্ধীকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন, “আমি ভেবেছিলাম বিহার নির্বাচন শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলাবে। কিন্তু আমি তাঁর কথা শুনেছি এবং এখন আমার মনে হচ্ছে এই পরাজয় এখনও তাঁকে পীড়া দিচ্ছে।” মোদী বলেন, “এই অধিবেশনে সংসদ কী ভাবছে এবং দেশের জন্য কী করতে চলেছে তার উপর আলোকপাত করা উচিত। বিরোধী দলের উচিত তাদের দায়িত্ব পালন করা এবং জোরালো বিষয়গুলি উত্থাপন করা। পরাজয়ের হতাশা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ বিশ্ব ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং এর অর্থনৈতিক শক্তির প্রতি গভীর মনোযোগ দিচ্ছে। ভারতের অর্থনীতি ক্রমাগত নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে এবং এর গতি একটি উন্নত ভারতের স্বপ্নকে আরও শক্তিশালী করে। তাই তিনি বলেন, পরাজয়ের হতাশাকে নিশানা করা উচিত নয়। এটিকে বিজয়ের উদযাপনে পরিণত করা উচিত নয়। জনপ্রতিনিধি হিসেবে, আমাদের দেশবাসীর দায়িত্ব এবং প্রত্যাশার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এটি একটি কঠিন কাজ, কিন্তু আমাদের তা করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
