ওঙ্কার ডেস্ক: জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লিতে আন্দোলন চলছে। এমন সময়ই রাজধানীর উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তাঁর দিল্লি যাওয়ার কথা। কংগ্রেসের আন্দোলনেও যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তৃণমূল নেত্রীর। এর আগে দিল্লির ‘সংবিধান বাঁচাও’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন তৃণমূলের সাংসদেরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
বৃহস্পতিবার দিল্লিতে পৌঁছনোর পর শুক্রবার রাষ্ট্রপতি ভবনে যাওয়ার কথা মমতার। ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে। সেই কর্মসূচিতেও মমতা থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে তৃণমূলের অন্দরে আরও একটি কর্মসূচি নিয়ে তৎপরতা রয়েছে। কালীঘাট সূত্রের খবর, শনিবার ককরোচদের আন্দোলনেও মমতাকে হাজির করানোর চেষ্টা চলছে। অর্থাৎ, দিল্লি সফরে তাঁর কর্মসূচির তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে। উল্লেখ্য, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। এসআইআর নিয়ে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই জ্ঞানেশের পদত্যাগ দাবি করেছে তারা। বিষয়টি নিয়ে পথে নেমেছে রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস।
মঙ্গলবারের আন্দোলনে রাহুল ও প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনের সময় কয়েকজনকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। বুধবারও পরিস্থিতির বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। ওই দিনের কর্মসূচিতে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের হাতে চোট লাগে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, ডেরেক ও’ব্রায়েনকেও কর্মসূচিতে দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সর্বভারতীয় রাজনীতির অঙ্গনে মমতার এই দিল্লিযাত্রা কতটা প্রভাব ফেলে আপাতত সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।