ফেলায় সরাসরি বিজেপি-সিপিএমকে একসঙ্গে দায়ী করেছেন রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরের মন্ত্রী ও হাওড়া সদর তৃণমূলের চেয়ারম্যান অরূপ রায়। তাঁর অভিযোগ, “বিজেপি আর সিপিএম পরিকল্পিতভাবে এই ভাঙচুর চালিয়েছে। ২০২১-এ সিপিএমের ভোট গিয়েছিল বিজেপির কাছে। এখন ফের একজোট হয়ে ষড়যন্ত্র করছে।”বিরোধীদের উদ্দেশে ক্ষোভ উগরে মন্ত্রী আরও বলেন, “ওরা জানোয়ার, মানুষের মতো মনুষ্যত্ব নেই।”
আবার অন্য দিকে হোডিং ছিঁড়ে দেওয়া নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে তৃণমূলের অন্দরেই। ছেঁড়া হোডিং গুলোর বেশির ভাগই প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। অথচ যেখানে অরূপ রায়ের নাম লেখা, সেগুলো প্রায় অক্ষত। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাহলে কি তৃণমূলের ভেতরেই কেউ এই ঘটনার ছক কেটেছে সে নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। যদিও অরূপ রায় সরাসরি অস্বীকার করে বলেছেন, “দলে গোষ্ঠীকোন্দল নেই। কে এর পেছনে আছে, তদন্তেই বেরিয়ে যাবে।” রাজীব একসময় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন, পরে ফের তৃণমূলে ফিরে এখন জেলা পরিষদের মেন্টরের দায়িত্বে রয়েছেন এই প্রেক্ষাপটেই গুঞ্জন আরও জোরালো।
অন্যদিকে বিজেপি এই ঘটনার সুযোগ নিতে ছাড়েনি। রাজ্য বিজেপি সম্পাদক উমেশ রাই পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, “বিরোধীরা কেন ওদের হোডিং ছিঁড়বেন, এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। নিজেরাই একে অপরের পোস্টার ছিঁড়ে দিচ্ছে। সর্বত্রই মারামারি”। ধর্মতলার সভার আগে এমন কাণ্ডে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও চড়তে শুরু করেছে শিবপুর জুড়ে।
