ওঙ্কার ডেস্ক: পলাতক আর্থিক অপরাধী মেহুল চোকসিকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে আর কোনও বাধা রইল না। তাঁর বিরুদ্ধে ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণখেলাপির অভিযোগ রয়েছে। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক থেকে চোকসি এই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ। পলাতক হিরে ব্যবসায়ীকে দেশে প্রত্যর্পণে আর কোনও বাধা নেই বলে জানিয়ে দিল বেলজিয়ামের আদালত।
প্রত্যর্পণ রুখতে চোকসি আদালতে একাধিক যুক্তি দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর দাবি নস্যাৎ করে দেয় সেদেশের আদালত। উল্লেখ্য, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক চোকসির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণখেলাপির। এর পরেই ভারত ছেড়ে পালিয়ে যান সস্ত্রীক চোকসি। গত সাত বছর ধরে বিদেশে রয়েছেন তিনি। ভারতের কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি পলাতক হীরে ব্যবসায়ীকে দেশে ফেরানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে আসছে। কখনও কূটনৈতিক নীতির কারণে, কখনও আদালতে চোকসির যুক্তি তাঁর দেশে ফেরানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে জানা যায়, বেলজিয়ামে রয়েছেন চোকসি। এর পর নয়াদিল্লির তরফে সে দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এদিকে বেলজিয়ামের পুলিশের তরফে গত ১২ এপ্রিল চোকসিকে গ্রেফতার করা হয়। একটি হাসপাতাল থেকে পলাতক ৬৫ বছর বয়সি হীরে ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা।
গত ১৭ অক্টোবর বেলজিয়ামের আদালতে চোকসির প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত মামলাটি ওঠে। আদালতের তরফে জানানো হয়, চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণে কোনও আইনি বাধা নেই। বিচারক জানান, চোকসি বেলজিয়ামের নাগরিক নন। সে দেশে তিনি বিদেশি। শুধু তাই নয়, ভারতে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযগ রয়েছে। তাই তাঁকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া যুক্তিযুক্ত।
