ওঙ্কার ডেস্কঃ বঙ্গে মোদীর সভা। বিধানসভা ভোটের আগে আক্রমণের সুর চড়িয়েছে বিজেপি। সভার আগেই তৃণমূলকে নিশানা। তৃণমূল কংগ্রেস বাংলায় লুটপাট ও ভয় দেখানোর সব সীমা অতিক্রম করেছে। এক্স হ্যান্ডেলে এমনই অভিযোগ তুলে রাজ্যের শাসক দলকে সরাসরি নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর দাবি, এই পরিস্থিতিতেই বাংলার মানুষ বিজেপির প্রতি আস্থা রাখছেন। বিজেপির প্রতি নতুন করে আশা তৈরি হয়েছে।
শনিবার রানাঘাটে জনসভা প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার সন্ধ্যায় দেওয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তায় তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের জনমুখী প্রকল্প ও উদ্যোগগুলি সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে।
ভোট দামাম বেজেছে বাংলায়। বিধান্সভা নির্বাচনের দিনক্ষণ এগিয়ে আসছে। হাতে কয়েকমাস শুধু। এসআইআর-এর খসড়া তালিকা ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। বিজেপি কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে প্রায় ৫৮ লক্ষের বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছে। মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের নামও বাদ গিয়েছে। বিজেপি আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, মতুয়া সম্প্রদায়ের কোনও মানুষের নাম বাদ যাবে না। কিন্তু খসড়া তালিকা আলাদা কথা বলছে। সেই আবহেই মতুয়া অধ্যুষিত এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের আশঙ্কা, এসআইআর প্রক্রিয়ায় মতুয়া সমাজের বড় অংশ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। মোদী কীভাবে ড্যামেজ কন্ট্রোল করবেন, তা দেখা যাবে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সফরে তৃণমূলকে নিশানা করে আক্রমণের সুর আরও চড়াবে পদ্মশিবির।
শনিবারের সভামঞ্চে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ীও। জাতীয় সড়ক সংক্রান্ত দু’টি বড় প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর জনসভাকে ঘিরে থাকছে কড়া নিরাপত্তা। রাজ্য পুলিশের তরফেও বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি মূল্যের প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের কৃষ্ণনগর থেকে বড়জাগুলি পর্যন্ত প্রায় ৬৮ কিলোমিটার অংশের চার লেনের কাজ শেষ হয়েছে, যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে শুক্রবার।
