ওঙ্কার ডেস্কঃ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ইস্যুতে সোমবার বড় নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। তারপরই মঙ্গলে মিটিং ডাকা হয়েছে নবান্নে। রাজ্যের সব জেলাশাসককে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যসচিবের ডাকা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।
এসআইআর-এর শুনানি পর্ব নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে বাংলায়। রাজনৈতিক পারদ যেমন চড়ছে, তেমনই সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছে। কোথাও প্রশাসনিক হয়রানির অভিযোগ উঠছে, আবার কোথাও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার মতো ঘটনা সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি জেলায় বিএলও-র মৃত্যুর ঘটনায় পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, মঙ্গলবারের বৈঠকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে শুরু করে এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হতে পারে। জেলাশাসকদের পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়ার কথাও বলা হতে পারে।
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে প্রশাসনের মাথাব্যথা আরও বেড়েছে কারণ, ফেব্রুয়ারি মাসে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা রয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। ফলে এসআইআর-এর কাজ এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি, এই দু’য়ের চাপই এসে পড়েছে প্রশাসন ও শিক্ষা ব্যবস্থার উপর।
এক্ষেত্রে আরও একটি বড় সমস্যা হল, কলকাতা ও শহরতলীর একাধিক পরীক্ষাকেন্দ্রেই বর্তমানে এসআইআর-এর শুনানি পর্ব চলছে। সেক্ষেত্রে পরীক্ষা চলাকালীন শুনানি কোথায় হবে? সোমবারের বৈঠকে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, শিক্ষাসচিব বিনোদ কুমার, বিভিন্ন জেলার জেলা শাসক ও শীর্ষ আধিকারিকরা এই বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বলে সূত্রের খবর।
মঙ্গলবারের বৈঠকে এসআইআর প্রক্রিয়া এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে নির্দেশ মিলতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।
