নিজস্ব সংবাদদাতা : শনিবার ককরোচের কর্মসূচি বানচাল করতে দিল্লি পুলিশের দমননীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এই নিয়ে রবিবার পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। দলের দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস জোরপূর্বক তাদের আটক করা, কোনো নথিপত্র ছাড়াই ফোন বাজেয়াপ্ত করা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের কর্মসূচি নিয়েছিল সিজেপি। এদিন দিল্লিতে বিমান থেকে নামার পরপরই দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, দাস ও রাঙ্কাকে আটক করে। এছাড়া সিজেপি-র আইনি দলের প্রধান রত্ন সিংকেও দিল্লি থেকে আটক করা হয়। এক বছর ধরে “শান্তিভঙ্গ” না করার শর্তে রবিবার সকালে তাদের সবাইকে মুক্তি দিয়েছে আদালত। এরপরই সাংবাদিক সম্মেলনে সিজেপির তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, সরকার কেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে আড়াল করছে।
রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস বলেন, “আমরা মোদী ও শাহকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, আপনারা কেন জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন ? ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে কি তিনি বিশেষ কিছু জানেন ?” তিনি জানান, গত এক বছরে সিজেপি শান্তিভঙ্গের কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল না। বরং প্রধানমন্ত্রী, শাহ ও কুমারই শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য দায়ী বলে তিনি অভিযোগ করেন। সৌরভ বলেন, “তারা আমাদের বেআইনিভাবে আটক করেছিল। তারা বলেছে এক বছর ধরে শান্তিভঙ্গ করা যাবে না। অথচ শান্তিভঙ্গ তো করেছেন নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ও জ্ঞানেশ কুমার।”
সৌরভ দাসের অভিযোগ, কোনো নথিপত্র ছাড়াই পুলিশ সিজেপি নেতাদের ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে, আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেয়নি এবং জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচাতে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে। নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের কর্মসূচি নিয়েছিল সিজেপি। শনিবার দিল্লিতে বিমান থেকে নামার পরপরই দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, দাস ও রাঙ্কাকে আটক করে। এছাড়া সিজেপি-র আইনি দলের প্রধান রত্ন সিংকেও দিল্লি থেকে আটক করা হয়। এক বছর ধরে “শান্তিভঙ্গ” না করার শর্তে রবিবার সকালে তাদের সবাইকে মুক্তি দেওয়া হয়।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা মোদী ও শাহকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, আপনারা কেন জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন ? ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে কি তিনি বিশেষ কিছু জানেন?” তিনি জানান, গত এক বছরে সিজেপি শান্তিভঙ্গের কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল না; বরং প্রধানমন্ত্রী, শাহ ও কুমারই শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য দায়ী বলে তিনি অভিযোগ করেন।