ওঙ্কার ডেস্কঃ জব্বলপুরের ১৯ বছরের এক ছাত্র অথর্ব চতুর্বেদী। তাঁর স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া। সুপ্রিম কোর্টে নিজের মামলা জিতল জব্বলপুরের অথর্ব। সুপ্রিম কোর্টের এসলাজে ১০ মিনিট সময় চায় অথর্ব। সেই দশ মিনিটেই পরিস্থিতি বদলে যায়।
সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন এবং মধ্যপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশ দেয়, আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির যোগ্য প্রার্থীদের প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজে অস্থায়ী ভিত্তিতে এমবিবিএস ভর্তির সুযোগ দিতে হবে।
ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিক্যাল, দুই প্রবেশিকাই পাশ করেছে। শেষ পর্যন্ত বেছে নিয়েছে জীবনবিজ্ঞান। দু’বার নিটে উত্তীর্ণ হয়েছে। ৫৩০ নম্বর পেয়েও ইডব্লিউএস কোটায় প্রাইভেট কলেজে আসন পায়নি। কারণ, রাজ্য সরকার সেই ক্ষেত্রে সংরক্ষণ নীতি কার্যকর করেনি।
শুনানিতে বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, আর্থিকভাবে দুর্বল পটভূমির এই ছাত্র দু’বার নিটে উত্তীর্ণ হলেও নীতিগত ফাঁকফোকরের কারণে ভর্তি হতে পারেনি। রাজ্য নোটিফিকেশন জারি না করায় সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা যায় না। মৌখিক সওয়ালের দশ মিনিটের মধ্যেই ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে অস্থায়ী ভর্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে স্পেশ্যাল লিভ পিটিশনের ফরম্যাট ডাউনলোড করে নিজেই খসড়া তৈরি করে। আগের রায় পড়ে যুক্তি সাজায়। রেজিস্ট্রির আপত্তি সংশোধন করে ৬ জানুয়ারি অনলাইনে মামলা দায়ের করে। জবলপুর থেকেই লড়াই চালায় সে।
তবে এই জয় মানেই নিশ্চিন্ত ভবিষ্যৎ নয়। সাত দিনের মধ্যে কলেজ বরাদ্দের নির্দেশ থাকলেও প্রাইভেট কলেজে ইডব্লিউএস ফি কাঠামো স্পষ্ট নয়।
