ওঙ্কার ডেস্ক: নিট ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের পর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থানে বসেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তাতে সামিল হয়েছিলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকও। তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ-সহ শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে টানা ২৬ দিন অনশুন করেন। যদিও ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে সিজেপি। কিন্তু জল্পনা তৈরি হয়েছিল, সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দূরত্ব তোইরি হয়েছে বলে। অবশেষে শুক্রবার সেই জল্পনা ওড়ালেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর স্পষ্ট মন্তব্য, ‘সোনম ওয়াংচুকের অনশন ছাড়া কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করতেন না।’
আন্দোলন শেষ করার সময় সোনম ওয়াংচুকের নাম উল্লেখ না করায় সিজেপি ও ওয়াংচুকের মধ্যে কোনও বিভাজন তৈরি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে দীপকে বলেন, ‘না, আমরা এখনও মূলত একই অবস্থানে আছি। ফোনে তাঁর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীদের ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন কারণ ২০ জুলাইয়ের পর আন্দোলনটি দেশের তরুণদের হাতে চলে গিয়েছিল। প্রতিবাদের সময় তাদের পুলিশের দমন-পীড়নের মুখে পড়তে হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই আন্দোলনে ওয়াংচুকের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিজিত দীপকের কথায়, ‘সোনম ওয়াংচুক স্যার যে আত্মত্যাগ করেছেন, তা আমরা ভুলতে পারি না। তিনি নিজের জীবন বাজি রেখেছিলেন। ২৬ দিন ধরে তিনি অনশন করেছেন। নিজের জীবন বিপন্ন করে তিনি দেশকে জাগিয়ে তুলেছেন। নিজের জীবন বাজি রেখে সরকারকে প্রশ্ন করার জন্য তিনি দেশকে রাস্তায় নামিয়েছেন। তাঁর অনশন ছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সম্ভব হত না।’
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা আরও জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ওয়াংচুককে অনশন ভাঙার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত অনশন প্রত্যাহার করে নেওয়ায় তিনি স্বস্তি পেয়েছিলেন। দীপকে বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে অনশন ভাঙার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। আমি বলেছিলাম, ‘স্যার, আপনি অনশন তুলে নিন। আমরা প্রতিবাদ চালিয়ে যাব।’ যেদিন তিনি অনশন ভাঙলেন, সেদিন আমি স্বস্তি পেয়েছিলাম।’