ওঙ্কার ডেস্ক: হাড়হিম করা ঘটনা মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে। ১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে নৃশংস ভাবে খুনের পর তার দেহ বিছানার বাক্সের মধ্যে লুকিয়ে রাখার অভিযোগ। শুধু তাই নয়, সন্দেহ এড়াতে সেই বিছানায় ঘুমাতে বলা হল ঠাকুমাকে। অভিযুক্ত যুবক শিশুটিকে নাইলনের দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে প্রথমে খুন করে। পরে ইট দিয়ে তার মুখ থেঁতলে দেয়। এর পর বিছানার নীচে বাক্সের ভিতরে দেহ লুকিয়ে রাখে।
রিপোর্ট অনুসারে, অভিযুক্ত যুবক নাবালককে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে। সেই কাজে শিশুটি বাধা দেয়। নির্যাতিত চিৎকার করলে তাকে নির্মমভাবে খুন করে ফেলে অভিযুক্ত। শনিবার শিশুটির বাড়ি থেকে ৩০ মিটার দূরে একটি ছয় তলা বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। অপরাধ গোপন করার জন্য, পরে মৃতদেহটি চার তলায় সরিয়ে ফেলা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিশু অষ্টম শ্রেণীতে পড়ত। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ শিশুটি বাড়ির বাইরে থেকে নিখোঁজ হয়। রাত বাড়লেও সে ফিরে আসেনি, আর তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় পরিবারের লোকজনের মধ্যে। খোঁজাখুঁজি শুরু করার পাশাপাশি পুলিশের কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে পরিবার।
ডিসিপি প্রতীক কুমার বিষয়টি নিয়ে বলেন, ‘শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে গভীর রাতে তথ্য পায় পুলিশ। যার পর একটি অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং তদন্ত শুরু করা হয়। পরের দিন ভোরে, তল্লাশির সময় একটি বাড়ির ছাদ থেকে শিশুটির জ্যাকেট পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে রক্তের দাগও মেলে। তদন্ত চলাকালীন, পুলিশ দুই মূল অভিযুক্তকে আটক করে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং অন্য জন নাবালক। দুজনকেই বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, অপরাধের সময় শিশুটি ওই বাড়িতে খেলছিল। ছেলেটিকে খুনের পর অভিযুক্তরা ওই বাড়ির বিছানার নীচে দেহ লুকিয়ে রাখে।’ স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধান অভিযুক্তের নাম রেহান (২১)। যে বিছানার নীচে দেহ রেখেছিল, তার উপর সে তার ঠাকুমাকে ঘুমাতে বলেছিল।
