ওঙ্কার ডেস্কঃ সোনম ওয়াংচুকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল কেন্দ্র। সোমবার শীর্ষ আদালতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং লাদাখ প্রশাসনের দাবি, ওয়াংচুক ইচ্ছাকৃতভাবে নেপাল ও বাংলাদেশের মতো ব্যাপক আন্দোলন গড়ার উদ্দেশে নতুন প্রজন্মকে উস্কানি দিচ্ছিলেন। এমনকি তাঁর বক্তব্যে ‘আরব বসন্ত’-র মতো সরকারবিরোধী আন্দোলনের কথাও উঠে আসে, যা পশ্চিমী দুনিয়ার একাধিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল।
অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, ওয়াংচুক নিখুঁতভাবে জেন-জিদের মনে সরকারি বিরোধী মনোভাব সক্রিয় করতে চাইছিলেন। ওয়াংচুক ইচ্ছাকৃতভাবে লাদাখের মানুষদের ‘আমরা’ এবং কেন্দ্রকে ‘ওরা’ হিসেবে আলাদা করে দেখান এবং গণভোটের মতো দাবিও তোলেন, যা অতীতে কাশ্মীরে শোনা গিয়েছিল।
ওয়াংচুকের স্ত্রী, গীতাঞ্জলি জে. আংমো অভিযোগ করেন, তাঁর স্বামীকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের নামে অন্যায়ভাবে আটক রাখা হয়েছে। ওয়াংচুকের স্ত্রী দাবি করেছেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে পুরনো FIR, অস্পষ্ট অভিযোগ এবং বেছে নেওয়া কিছু ভিডিও দেখিয়ে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
ওয়াংচুক জেলে থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি কখনও সরকারের পতন চাননি। একজন নাগরিক হিসেবে সরকারের সমালোচনা করা ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানো সকলের অধিকার বলেই মনে করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত বছর ২৬ সেপ্টেম্বর সোনম ওয়াংচুককে আটক করা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর লেহ–তে সহিংস আন্দোলনে চারজন নিহত ও ৯০ জন আহত হওয়ার পর সরকার দাবি করে, ওয়াংচুক সেই আন্দোলন উস্কে দিয়েছিলেন।
