ওঙ্কার ডেস্ক: পাত্রের বয়স ৩২। পাত্রী ২১ বছর বয়সী। বয়সের এই ব্যবধান মানতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দিয়েছিলেন তরুণী। আর সে কারণে হতাশ হয়ে পাত্রীর বাড়িতে এসে তাঁকে খুনের চেষ্টা করলেন যুবক। মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার মুখে পড়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর মায়ের। ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর বিরুধুনগরে। ইতিমধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে অভিযুক্ত পাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম যুবরাজ। যাঁর সঙ্গে তাঁর বিয়ে ঠিক হয়েছিল সেই পাত্রীর নাম বর্ষা। বিয়ে ভেঙে দেওয়ার পর যুবরাজ বর্ষার বাড়িতে এসে চড়াও হন। ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁকে খুনের চেষ্টা করে হামলা চালায়। হামলার মুখে পড়ে ওই তরুণী গুরুতর জখম হন। তাঁকে বাঁচাতে ছুটে আসেন মা বিনায়াগা জ্যোতি। কিন্তু মেয়েকে বাঁচাতে এলে জ্যোতিকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গুরুতর জখম অবস্থায় বর্ষা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তদন্তে জানা গিয়েছে, যুবরাজ বর্ষার আত্মীয় হয়। বয়সের ব্যবধানের কারণে ওই তরুণী যুবরাজকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।
পুলিশের এক আধিকারিক জানান, কয়েক মাস আগে তাদের বাগদান হয়েছিল। কিন্তু ১০ ব অছরের বেশি বয়সের পার্থক্যের কারণে বর্ষা বিয়ে বাতিল করে। এর পরে তার পরিবার যুবরাজের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। বিরুধুনগরের পুলিশ সুপার গৌতম গোয়াল বলেন, ‘বর্ষা ও যুবরাজের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু ২১ বছর বয়সী বর্ষা ৩২ বছর বয়সী যুবরাজকে বিয়ে করতে রাজি হননি; কারণ হিসেবে তিনি বয়সের পার্থক্যের কথা উল্লেখ করেছিলেন। পরিবারটি যুবরাজের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে যুবরাজ বর্ষার ওপর হামলা চালায়; বর্ষা বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন। তার মা বিনায়াগা জ্যোতি তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে হামলায় তিনি প্রাণ হারান।’ পুলিশ তদন্তে নেমে যুবরাজকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।