ওঙ্কার ডেস্ক: গোয়ায় ৯৭ জন ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় তোলার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, মাত্র সাত দিনের মধ্যে আট বার ইমেল করেও কোনও উত্তর পাননি গোয়ার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। এই ঘটনায় কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খন্নার ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে।
রিপোর্ট অনুসারে, ১৩ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে গোয়ার সিইও আটটি ইমেল পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সীমার নেতৃত্বাধীন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের তরফে কোনও জবাব আসেনি। এসআইআর-পর্বে গোয়ায় গত ২১ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় ৯৭ জনের নাম ছিল না। অথচ তালিকা প্রকাশের চার দিন আগেই তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে অষ্টম ইমেলটি পাঠিয়েছিলেন গোয়ার সিইও।
ওই ইমেলের প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছিল গোয়ার নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী এবং সীমা খন্নাকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ৯৭ জন ভোটারের নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকায় ছিল। সুপ্রিম কোর্ট ওই তালিকাভুক্ত ভোটারদের নতুন করে নথি জমা দেওয়া এবং আবেদন করার জন্য ১০ দিন সময় দিয়েছিল। শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরে গোয়ায় মোট ৬৪৯ জন ভোটার প্রয়োজনীয় নথি দিয়ে তালিকায় নাম তোলার আবেদন করেন। তাঁদের মধ্যে বেশ কিছু আবেদনের নিষ্পত্তি করেন নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক বা ইআরও-রা। ৯৭ জনের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর দাবি, ইআরও-রা ছাড়পত্র দিলেও ওই ৯৭ জনের নাম কমিশনের ‘ইসিআইনেট’ সফ্টওয়্যারে আপলোড করা হয়নি। ফলে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোয়নি।