ওঙ্কার ডেস্কঃ ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনার তদন্তে কালঘাম ছুটছে তদন্তকারীদের। কারণ, ওই চ্যাটার্ড বিমানের কোনও ব্ল্যাক বক্স পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনাস্থলে একাধিকবার তল্লাশি করেও পাওয়া যায়নি ব্ল্যাক বক্স। বিমান দুর্ঘটনার রহস্যভেদের অন্যতম মাধ্যম এই ব্ল্যাক বক্স। তা খুঁজে না পাওয়ায় এই দুর্ঘটনার তদন্ত ধাক্কা খেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্ল্যাক বক্স না মেলায় বিকল্প পথে তদন্তে নেমেছেন তদন্তকারীরা।
বিমান পরিবহণ নিয়ম অনুযায়ী, ৫৭০০ কেজির কম ওজনের বিমান হলে তাতে ব্ল্যাকবক্স থাকা বাধ্যতামূলক নয়। সেকারণেই এই বিমানে ব্ল্যাকবক্স ছিল না। কিন্তু তদন্তকারী আধিকারিকেরা জানাচ্ছেন, এই কারণ্র তদন্ত আটকাবে না। তদন্তের স্বার্থে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সাহায্য নেবেন। ধ্বংসাবশেষ বিশ্লেষণের পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের উপর ভিত্তি করেও তদন্ত করবেন বলে জানিয়েছেন আধিকারীকেরা।
বিমানে গোলযোগের পাশাপাশি দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জেরে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। বিমানটির আবহাওয়ার র্যা ডার বিকল ছিল কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ তদন্তকারী আধিকারিকদের কথায়, ওই একই পথে খারাপ আবহাওয়ার কারণে এয়ার ইন্ডিয়া ও ইন্ডিগোর দুটি বিমান রুট বদলের অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু এই বিমানটি রুট বদলের অনুমতি চায়নি। ফলে ওই বিমানের র্যাতডারে কোনও সমস্যা ছিল কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রাঁচি থেকে দিল্লি যাচ্ছিল এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সটি। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট নাগাদ রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশে উড়ান দেয়। প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, মাঝপথে ঝাড়খণ্ডের ছাতরায় সিমারিয়া জঙ্গলে ভেঙে পড়ে সেটি। দুর্ঘটনার জেরে বিমানটির পাইলট, চিকিৎসক ও এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
