ওঙ্কার ডেস্ক: ছাগল চুরির সন্দেহে এক কিশোরকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। জখম হয়েছে আরও এক নাবালক। সোমবার মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার তিরিং থানা এলাকায়। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রিপোর্ট অনুসারে, জখম নাবালককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত সন্দীপ বিন্ধানী রায়রংপুর গ্রামীণ পুলিশ এলাকার ভূতকাবাদি গ্রামের বাসিন্দা ছিল। সে রাজকুমার বিন্ধানীর ছেলে। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিরিং থানা এলাকার ইন্দোখোলি গ্রাম পঞ্চায়েতের হেরোগোদা গ্রামে ওই কিশোর তার কাকার সঙ্গে থাকত। এলাকাটি বাহালদা ব্লকের অংশ। যে নাবালক জখম হয়েছে, তার নাম রাকেশ মোহন্ত। তাকে বারিপদার পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে, হেরোগোদা গ্রামে ছাগল চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা দুই কিশোরকে ধরে সালিসি বসায়, তাদেরকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
পুলিশ যখন দুজনকে উদ্ধার করে ঝাড়ডিহি হাসপাতালে ভর্তি করে তখন তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। পরে তাদের রায়রংপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্দীপের মৃত্যু হয়। রাকেশের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে বারিপদার পিআরএম এমসিএইচে স্থানান্তরিত করা হয়। বিষয়টি নিয়ে রায়রংপুরের এসডিপিও বীরেন্দ্র সেনাপতি জানান, সন্দীপের বাবা সোমবার রাতে তিরিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার তল্লাশি অব হিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
