ওঙ্কার ডেস্ক: মোবাইল চ্যাট নিয়ে ঝামেলা, আর তার জেরে বিবাহিত প্রেমিকার গলা কেটে খুন করে দিল এক ব্যক্তি। শুধু তাই নয়, খুনের পর দেহ টুকরো টুকরো করে উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর জেলায় বিভিন্ন জায়গায় সেই দেহাংশ ফেলে দেয় অভিযুক্ত। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় অভিযুক্ত হেমল খখারিয়া ওরফে দিলীপের। তার পর তাকেই গ্রেফতার করা হয়। দিলীপ গুজরাটের বাসিন্দা বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত মহিলার নাম রেশমা খান ওরফে সানা। দিলীপ তাঁকে বারাণসীর বাবাতপুর থেকে মাদিয়াহু থানা এলাকার টিচার্স কলোনির একটি আবাসনে নিয়ে গিয়েছিল। পুলিশ আধিকারিক দীপেন্দ্র সিং এ বিষয়ে বলেন, ‘মোবাইল ফোনে চ্যাট নিয়ে তাঁদের মধ্যে ঝামেলা হয়। সেই রাগে ঘুমন্ত অবস্থায় ওই মহিলার গলা কেটে হত্যা করে অভিযুক্ত।’ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে দিলীপ জানায়, আস্ত মৃতদেহ সরিয়ে ফেলা কঠিন হবে ভেবেই দেহটি টুকরো টুকরো করে একাধিক জায়গায় ফেলে দিয়েছিল অভিযুক্ত। দেহাংশগুলি ভরার জন্য বাজার থেকে কালো পলিথিনের ব্যাগ কিনেছিল দিলীপ। একটি বড় ছুরি ব্যবহার করে প্রথমে ওই নারীর হাত ও পা দেহ থেকে আলাদা করে, এরপর পুরো দেহটি তিন টুকরো করে।
পুলিশের তথ্য অনুসারে, রবিবার সকালে মাদিয়াহু থানা এলাকার রানিপুর বাইপাসের কাছে ঝোপের মধ্যে থেকে ওই মহিলার দেহাংশ উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা দেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশের একটি দল নিহত মহিলার পরিচয় শনাক্ত করতে ও অভিযুক্তকে খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত শুরু করে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রামনগর ব্লক গেটের কাছে দিলীপকে আটকায় পুলিশ। কিন্তু পুলিশকে দেখে গুলি চালায় অভিযুক্ত। এর পর আত্মরক্ষার জন্য তদন্তকারীরাও পালটা গুলি চালায়। সেই সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে জখম হয় অভিযুক্ত। তখনই তাকে গ্রেফতার করা হয়।