ওঙ্কার ডেস্ক: বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছে প্রতিবেশী দেশ নেপাল। ছাত্র ও যুবদের বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। এই আবহে বন্ধ হল পশ্চিমবঙ্গ থেকে নেপালে বাস পরিষেবা। অনির্দিষ্টকালের জন্য এই পরিষেবা বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি থেকে কাঠমান্ডু পর্যন্ত এনবিএসটিসির নিয়মিত বাস চলত। কিন্তু নেপালে অশান্তি ও গণবিদ্রোহের কারণে এই পরিষেবা হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হল। এর ফলে বিপাকে পড়েছেন বহু যাত্রী। অনেকের কলকাতা থেকে নেপাল যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তাঁরা। বহু ভারতীয় পরিবার নেপালে আটকে পড়েছেন। পরিবার পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ না করতে পেরে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, সমাজ মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছে নেপাল। সোমবার দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডুতে ছাত্র ও যুবরা বিক্ষোভ দেখান। তাতে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান কম করে ১৯ জন বিক্ষোভকারী। সোমের পরে মঙ্গলবারও বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি-সহ একাধিক মন্ত্রীর বাসভবনে হামলা চালানো হয় এবং অগ্নি সংযোগ করা হয়। সমাজ মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরেও বন্ধ হয়নি বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের তরফে দাবি জানানো হয়েছিল কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের। বিক্ষোভকারীদের সেই দাবি মেনে ওলি পদত্যাগ করেন। দেশের শাসনভার হাতে নিয়েছে নেপালের সেনা বাহিনী। ক্ষমতা নিজেদের হাতে নেওয়ার পর নেপালের সেনা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে কোনও রকমের অশান্তি তারা বরদাস্ত করবে না।
