ওঙ্কার ডেস্ক: চলতি বছরে দিল্লিতে ২,৩০০-এরও বেশি মানুষ সোয়াইন ফ্লুতে সংক্রমিত হয়েছেন। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই সংক্রমণ বৃদ্ধিতে উদ্বেগের ভাঁজ পড়েছে স্বাস্থ্য কর্তাদের কপালে। এই পরিস্থিতিতে উচ্চ পর্যায়ের জরুরি বৈঠক ডাকলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত। রিপোর্ট অনুসারে, শুক্রবার পর্যন্ত ১,৭৭৭টিরও বেশি এইচ১এন১ ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে।
ইতিমধ্যে দিল্লি সরকারের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এতে মানুষকে শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে জনসমাগ রয়েছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। কোনও উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা দেশজুড়ে এইচ১এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। এই ভাইরাসের মোকাবিলার প্রস্তুতিও তিনি খতিয়ে দেখেছেন। বিশেষ করে রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ক্রমাগত সতর্কতা, জোরালো নজরদারি ও আগাম প্রস্তুতির কথা বলেছেন। বৈঠকে দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী পঙ্কজ কুমার সিং-ও ছিলেন।
অন্য দিকে কর্ণাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউটি খাদার জানিয়েছেন, সে রাজ্যে ৩০০ থেকে ৪০০ জন এইচ১এন১-তে আক্রান্ত হয়েছেন। কী এই এইচ১এন১ (H1N1) ভাইরাস? চিকিৎসকদের মতে, এটি হল ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ ভাইরাসের একটি ধরন, যা সাধারণত ‘সোয়াইন ফ্লু’ নামে পরিচিত। মরসুমি ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। কফ বা থুতুর সূক্ষ্ম কণা এবং দূষিত বস্তুর সংস্পর্শের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি, হাঁচি বা কথা বলার সময় ভাইরাসযুক্ত কণা ছড়িয়ে দিতে পারেন। আশেপাশের মানুষ সেই কণা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে, কিংবা চোখ, নাক বা মুখের মাধ্যমে ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে।