ওঙ্কার ডেস্ক: সৎ মায়ের হাতে খুন তিন বছর বয়সী শিশু। উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর জেলায় ওই শিশুকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত মহিলার দাবি, তাঁর স্বামী তাঁর চেয়ে বেশি মেয়েকে ভালবাসতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোরক্ষপুরের বিজরাহা গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা পূজা মৌর্য। অভিযোগ, ওই মহিলা বুধবার গভীর রাতে কুড়ুল দিয়ে শিশুটির ঘাড়ে কোপ মারেন। ফলে ঘটনাস্থলেই নাবালিকার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পালানোর চেষ্টা করেন মহিলা। সেই সময় তাঁকে হাতেনাতে ধরেন স্বামী ত্রিবেণী মৌর্য। পরে পুলিশের হাতে স্ত্রীকে তুলে দেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ত্রিবেণীর প্রথম স্ত্রী লক্ষ্মী কয়েক বছর আগে মারা যান। এর পর তিনি পূজাকে বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রীর একটি কন্যা ছিল। পূজা শিশুটিকে প্রথমে দেওয়ালে আঘাত করে এর পরে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে তার ঘাড় কেটে ফেলে। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে উঠে ত্রিবেণী মেয়েকে রক্তাক্ত ও নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এদিকে পূজা তার স্বামীকে দেখে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ধরা পড়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পূজা জানিয়েছেন তিনি শিশুটিকে ঈর্ষা করতেন। কারণ হিসেবে তাঁর দাবি, স্বামী তাঁর চেয়ে বেশি শিশুকে ‘ভালবাসত’। পুলিশি জেরায় পূজা জানিয়েছেন, ‘আমার মনে হয়েছিল যেন সে আমাকে বিয়ে করেছে শুধুমাত্র সন্তানের দেখাশোনার জন্য … সে কোনও স্ত্রী চায়নি বরং তার মেয়ের যত্ন নেওয়ার জন্য কাউকে চেয়েছিল।’ এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, পূজাকে সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।
