ওঙ্কার ডেস্ক:- একসময় কে দেশ ভারতের অংশ ছিল এখন সেই দেশের এখন শিরে সংক্রান্তির অবস্থা। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের ‘গণহত্যার কলঙ্কিত ইতিহাস’ তুলে ইসলামাবাদকে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ শানাল নয়া দিল্লি। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে ভারত জানিয়েছে, পাকিস্তানের অমানবিক আচরণ থেকে বোঝা যায় এরা কী ভাবে দশকের পর দশক ধরে অভ্যন্তরীণ সমস্যা ও ব্যর্থতাকে হিংসার চেহারা দিয়েছে, যা ক্রমে সীমান্ত পার করেছে। ‘সশস্ত্র সংঘাতের সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা’ নিশ্চিত করার বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বার্ষিক বিতর্কে, ইসলামাবাদের ‘শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনের’ বড় বড় বুলি যে কতটা ‘ভন্ডামি’, তা প্রমাণ করতে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক অমানবিক সামরিক অভিযানের প্রসঙ্গটি বিশ্বমঞ্চের সামনে তুলে ধরেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বথানেনি।
এই বিষয়ে ভারতের প্রতিনিধি, পাক প্রতিনিধি কে কার্যত তোপ দেগে বলেন, “এই ধরনের কথা পকিস্তানের মুখে মানায় না” পাকিস্তানের নিজের ট্র্যাক রেকর্ড বছরের পর বছর ধরে নৃশংস গণহত্যার কালো দাগে কলঙ্কিত, তারা আজ এমন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলছে, যা সম্পূর্ণভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’ নিরাপত্তা পরিষদের ওই বিতর্কের মাঝপথে প্রথাগতভাবে জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন পাকিস্তানের প্রতিনিধি। আর তার জবাবেই ধেয়ে আসে ভারতের ঝাঁঝালো ও তথ্যসমৃদ্ধ আক্রমণ। তার সঙ্গে বছরের শুরুর দিকে আফগানিস্তানের মাটিতে পাকিস্তানের বিমান হামলার কড়া সমালোচনা করেন হরিশ পার্বথানেনি। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব ভুলে যায়নি যে, এ বছরের মার্চে পবিত্র রমজান মাসে-যখন শান্তি, আত্মসমালোচনা ও করুণার সময় চলছিল, পাকিস্তান কাবুলের ওমিদ অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে একটি বর্বর বিমান হানা চালিয়েছিল।’ রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশন বা ‘ইউনামা’-র সরকারি রিপোর্টের তথ্য উল্লেখ করে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি জানান, ‘পাকিস্তানের এই কাপুরুষোচিত এবং বিবেকহীন হিংসাত্মক হামলায় ২৬৯ জন নিরীহ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং আহত হয়েছিলেন আরও ১২২ জন। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছিল, যেটিকে কোনওভাবেই সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায় না।’