ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য এ বার আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হলেন অবসরপ্রাপ্ত বিএসএফ কর্মী। বিজেপিশাসিত উত্তরাখণ্ডের পুলিশ ওই জওয়ান পরিবারের উপর চড়াও হয়েছে বলে অভিযোগ।প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির কারণে পুলিশ ওই জওয়ানকে এবং পরিবারের সদস্যদের বেধড়ক মারধর করেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে শয্যাশায়ী তাঁর ১৮ বছর বয়সী ডাক্তারি পড়ুয়া কন্যা।
জানা গিয়েছে, আক্রান্ত প্রাক্তন বিএসএফ কর্মীর নাম কিরণ সিংহরায়। বর্তমানে সপরিবারে তিনি উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে বসবাস করছেন। দেরাদুনের বাসিন্দা, পেশায় শিক্ষিকা স্ত্রী সন্তোষ সিংহরায়ের সঙ্গে দেরাদুনের জি-৩, রেসকোর্স এলাকায় থাকেন তিনি। অভিযোগ, কিরণের স্ত্রীকে পুলিশ বেধড়ক মারধর করে। মাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁর মেয়ে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের ও প্রতিবেশীর শাস্তি চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন প্রাক্তন বিএসএফ কর্মী। গোটা বিষয়টি তিনি জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিকেও।
পুলিশি অত্যাচারের পর প্রাণ বাঁচাতে কিরণ বাংলায় সোদপুরের পৈতৃক বাড়িতে ফিরে এসেছেন। সোদপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, গত ১৩ আগস্ট বিদ্যুতের তার টানা নিয়ে প্রতিবেশী ব্যবসায়ী মনজিৎ সিং এর সঙ্গে বচসা হয়। সেই বচসার জেরে স্থানীয় নেহরু কলোনি থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এসে অভিযুক্ত তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। সেখানেই কিরণের স্ত্রীকে ম মারতে মারতে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। মাকে ছাড়াতে থানায় গেলে মেয়েকেও মারধর করা হয়।
উল্লেখ্য বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে দেশের বিভিন্ন বিজেপিশাসিত রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা আক্রান্ত হচ্ছেন বলে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এই আবহে এ বার প্রাক্তন বাঙালি বিএসএফ জওয়ানের পরিবারের উপর হামলার ঘটনা সামনে এল।
