ওঙ্কার ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর জোড়াফুল শিবির ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন ২০ সাংসদ। তাঁদেরকে ঘিরে দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সদস্যপদ কেন বাতিল করা হবে না ওই সাংসদদের, তা জানতে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য স্পিকারের কাছে চার সপ্তাহ সময় চাইলেন এনসিইআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদরা। এই মর্মে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠিও দিয়েছেন তাঁরা।
২০ সাংসদের দলবদলকে ঘিরেই সাংসদ পদ খারিজের প্রশ্ন উঠেছে। দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় তাঁরা পড়েন কি না, তা নিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী, কোনও রাজনৈতিক দলের আইনসভার মোট সদস্যের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ অন্য একটি দলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে সেটিকে বৈধ সংযুক্তিকরণ হিসেবে গণ্য করা যায়। এই শর্ত পূরণ হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের দলত্যাগের কারণে অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না। তাঁরা দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ছাড় পেতে পারেন।
অন্যদিকে, দুই-তৃতীয়াংশের কম সদস্য দল ছাড়লে সেই সুরক্ষা প্রযোজ্য হবে না। এক জন, দু’জন বা মোট সদস্যের অর্ধেক সাংসদ দল পরিবর্তন করলে তাঁদের বিরুদ্ধে অযোগ্যতার বিধান কার্যকর হতে পারে। লোকসভা সচিবালয়ের তরফে গত ২৬ অগস্ট ওই ২০ সাংসদকে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের কাছে দলত্যাগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। সূত্রের খবর, তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা আবেদনের ভিত্তিতেই এই কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছিল।