ওঙ্কার ডেস্ক: সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছে নেপালের কাঠমান্ডু। মৃত্যু হয়েছে কম করে ১৯ জনের। মূলত সে দেশের তরুণ ও ছাত্ররা সোমবারের বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন। আদতে সমাজ মাধ্যমের উপর নিষেধাজ্ঞা ঘিরে এই বিক্ষোভ শুরু হলেও এর পিছনে রয়েছে একাধিক কারণ।
নেপালে কর্মসংস্থানের অভাব, জলবায়ু সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ক্ষুব্ধ সে দেশের মানুষ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ দানা বেঁধেছিল নেপালবাসীর মনে। এর ফলে নেপালি তরুণদের অনেকেই দেশ ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। রয়েছে নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। এই সমস্ত কারণে পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হয়েছে সোমবারের বিদ্রোহে।
উল্লেখ্য, তরুণ ছাত্র যুবকদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে পিছু হটেছে নেপাল সরকার। সমাজমাধ্যমের উপর চাপানো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। শুধু নেপালের রাজধানী শহর কাঠমান্ডুতে নয়, বিদ্রোহ ছড়িয়েছিল নেপালের অন্যান্য জায়গায়ও। সাইবার অপরাধ, ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো বন্ধ করতে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সমাজ মাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেছে কেপি শর্মা ওলির সরকার। নেপালের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের গত আগস্ট মাসেই নেপাল সরকার বিভিন্ন সমাজমাধ্যম সংস্থার রেজিস্ট্রেশন-এর জন্য উদ্যোগী হয়। টিকটক, ভাইবার, উইটক, নিমবাজ এবং পপ্পো লাইভ এর মতো সমাজ মাধ্যম গুলি রেজিস্ট্রেশন করে নেয় সরকারের নির্দেশ মেনে। তবে কোপ পড়ে ফেসবুক, এক্স, ইউটিউব এর মতো সমাজ মাধ্যমগুলির উপর।
