ওঙ্কার ডেস্ক: নরওয়ের নোবেল ইনস্টিটিউটের ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের বিজয়ীর নাম ঘোষণা হওয়ার আগে অনলাইনে অনিয়মিত আচরণ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষত ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া করিনা মাচাডোকে সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে দেখানো হয়েছে বেটিং মার্কেটে। এতে সংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা, হয়তো কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁস হয়েছে বা গুপ্তচরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য বাইরে এসেছে।
সংবাদ অনুযায়ী, মার্কেটপ্লেস “পলিমার্কেট”-এ মারিয়া করিনা মাচাদোর বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। তিনটার সময় থেকে নরওয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগ পর্যন্ত তার সম্ভাব্যতা সর্বাধিক থাকে। এ ধরনের আচরণ নোবেল ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাদের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে যে, হয়তো কেউ নোবেল বিজয়ীর নাম ফাঁস করেছে।
তবে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান এ ধরনের গুজবকে খারিজ করেছেন। তিনি বলেছেন, “নোবেল ইনস্টিটিউট সবসময় কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখে। এখনও পর্যন্ত কোনো প্রমাণ নেই যে অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁস হয়েছে।” তথাপি, কর্মকর্তারা এই ঘটনাকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্ত করার পরিকল্পনা করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, অনলাইনে বেটিং মার্কেটে এমন আচরণ সম্ভাব্য তথ্য ফাঁসের ইঙ্গিত হতে পারে, কিন্তু প্রমাণের অভাবে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তারা আরও বলছেন, কখনও কখনও বাজার বিশ্লেষণ বা অনুমানের ভিত্তিতেও এমন ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।
এই ঘটনার ফলে নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রতি জনমনের কৌতূহল ও আলোচনা আরও বাড়ছে। অনেকেই ভাবছেন, এই ঘটনা ভবিষ্যতে নোবেল কমিটিকে তার গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নীতি আরও কঠোর করার দিকে প্ররোচিত করবে।
নিরীক্ষকরা মনে করছেন, নোবেল বিজয়ীর নাম ফাঁসের সম্ভাবনা এবং অনলাইন বেটিংয়ের অস্বাভাবিক আচরণ একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে। নোবেল ইনস্টিটিউট ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি প্রতিরোধের জন্য আরও সতর্ক ও নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
