ওঙ্কার ডেস্ক: দু দফায় পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে ভোটগ্রহণের দুই দিন রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় গোলমালের খবর মিললেও মোটের উপর নির্বিঘ্নে মিটেছে নির্বাচন। তবে নির্বাচন সমাপ্ত হলেও ফলপ্রকাশের তিন দিন আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। বৃহস্পতিবার রাতে আইএসএফ ও তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ছড়াল উত্তেজনা। উভয় পক্ষের মধ্যে বোমাবাজির অভিযোগ। ঘটনার পর এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ।
তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁদের দলের এক কর্মীর দোকানে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে আইএসএফ আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। দোকানের মালিক মহিবুল মোল্লা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমি তৃণমূল করি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আইএসএফের লোকজন আমার দোকানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।’ যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। ঘটনার সঙ্গে আইএসএফ এর কারোর যোগ নেই বলে দাবি নওশাদের দলের। স্থানীয়দের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে এলাকায় বোমাবাজি হয়। ঘটনাস্থলে বোমার সুতো পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। অশান্তির ঘটনার পর ইতিমধ্যেই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। তদন্তে নেমে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে বিজয়গঞ্জ থানার পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় সাত জেলায় ১৪২ আসনে ভোট হয়। সম্মিলিত ভাবে ভোট পড়েছিল ৯২.৬৭ শতাংশ। শুধু ভাঙড়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন ৯৬.৭৮ শতাংশ ভোটার। এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শওকত মোল্লা। নির্বাচনের দিন কোনও খুনোখুনির ঘটনা না ঘটায় কমিশনের কাজের প্রশংসা করেছেন আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি তৃণমূলের একটি অংশকো প্রশংসা করেছিলেন, যাঁরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পক্ষে ছিলেন।