ওঙ্কার ডেস্ক: আগেই বিজেপির তরফে তাঁর নাম মনোনীত করা হয়েছিল বিধানসভার স্পিকার পদের জন্য। শুক্রবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ওই পদে নির্বাচিত হলেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসু। শুক্রবার বিধনাসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পিকার হিসেবে রথীন্দ্রনাথের নাম প্রস্তাব করেন। এর পরেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ধ্বনিভোটে তিনি নির্বাচিত হন অধ্যক্ষ পদে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে এই প্রথম বার বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্রনাথ বসু। শুক্রবার সকালে বিধানসভার প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের তত্ত্বাবধানে স্পিকার নির্বাচন সম্পন্ন হয়। প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী রথীন্দ্রনাথের নাম প্রস্তাব করলে তাতে সমর্থন করেন দিলীপ ঘোষ। একে একে বিজেপি বিধায়করা সমর্থন করেন। তবে স্পিকার নির্বাচন পর্বে বিধানসভায় অনুপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। শুক্রবার বিধানসভার অধিবেশন শুরু হয়েছে বন্দে মাতরম গান দিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে রথীন্দ্রনাথ স্পিকারের আসনে বসেন। বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় রথীন্দ্রনাথকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বিধানসভায় স্পিকারের নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ বারে ছক ভেঙেছে বিজেপি। সাধারণত বর্ষীয়ান আইনজীবী কাউকে এই পদে বসায় রাজনৈতিক দলগুলি। কিন্তু পদ্ম শিবির পেশায় চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট রথীন্দ্রনাথ বসুকে এই পদের জন্য বাছাই করেছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন রথীন্দ্রনাথ। স্পিকার পদের দৌড়ে সে কারণে তিনি অন্যদের থেকে এগিয়ে ছিলেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।