ওঙ্কার ডেস্ক: রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন ঘিরে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠল। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিরোধীদের অভিযোগ, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন বাংলায় অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের কথা বলেছিল। তার মাত্র চার মাসের মধ্যেই দুই কেন্দ্রের ভোট ঘিরে এমন অভিযোগ সামনে এল।
রেজিনগরের মুসলিম অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকা থেকেই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে। মুর্শিদাবাদের এই বিধানসভা কেন্দ্রের রেজিনগর ও বেলডাঙা থানা এলাকার ন’টি পঞ্চায়েতে মুসলিম জনসংখ্যা বেশি। অন্যদিকে শক্তিপুর থানার অধীনে পাঁচটি পঞ্চায়েত হিন্দু প্রধান এলাকা। রেজিনগরের মোট ভোটারের প্রায় ৬৫ শতাংশ মুসলিম। মির্জাপুর খাগড়ুপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৫ ও ৮৬ নম্বর বুথে ভোটারদের ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন ভোটার দাবি করেন, বুথে পৌঁছে তাঁদের জানানো হয় যে তাঁদের ভোট ইতিমধ্যেই পড়ে গিয়েছে।
তাকিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯ ও ১০ নম্বর বুথ নিয়েও অভিযোগ করেন ভোটার গোলাম শেখ। তাঁর দাবি, সেখানে শুধু বিজেপি ও আরএসএস কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল।
গোলাম শেখের অভিযোগ, তাঁর হয়ে অন্যরা ভোট দিয়ে দিয়েছেন বলে তাঁকে জানায় পুলিশ। এরপর তাঁকে বাড়ি ফিরে যেতে বলা হয়। সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সইদের নির্বাচনী এজেন্ট সনাতন হালদার অভিযোগ করেন, সোমপাড়ার ১৭০ নম্বর বুথে তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
তাঁর দাবি, নিজেকে প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও পুলিশ তাঁর পরিচয়পত্র কেড়ে নেয়। সেটি নকল বলে দাবি করে ছিঁড়ে দেওয়া হয়।