ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলাদেশের মনময়নসিংহে বাংলার প্রখ্যাত চলচিত্র শিল্পী সত্যজিত রায়ের পৈতৃক বাড়ির ভেঙ্গে ফেলার নেপথ্যে বাংলাদেশ প্রশাসন জানিয়েছে সংরক্ষন ও পুনর্গঠনের জন্যই ভাঙ্গা হচ্ছিল বারিটি। সঙ্গে এও দাবি তুলেছেন, দিল্লির কাছে ভুল খবর পৌঁচেছিল আর তাতেই নাকি বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল দুই দেশের মধ্যে।
১৫ জুলাই বাংলাদেশে স্থিত সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক ভিটে বাড়ি ভেঙ্গে ফেলার ঘটনা সামনে আসার পরই ক্ষোভে ফেটে পরে ভারত। দিল্লির সরাসরি হস্তক্ষেপের পর বাড়ি ভাঙ্গার কাজ স্থগিত রাখা হলেও এ কাজ যে তারা ইচ্ছাকৃত ভাবে করেছে তা স্বীকার করতে নারাজ বাংলাদেশী প্রশাসন। বরং তারা দাবি করেছে সত্যজিৎ রায় ও উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরির বাড়ি একটি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের কেন্দ্র গড়ে তুলতে চান। শিল্পচর্চায় কিংবদন্তী এই বাঙ্গালী পরিবারকে সম্মান দিতেই তাঁদের ভিটে বাড়ির পুনর্গঠন করে তা সাধারন মানুষের জন্য উপলব্ধ করার কথা ভাবছেন তাঁরা। ভনির্জন ভগ্নপ্রায় বাড়িটিকে নতুন ভাবে গড়ে তোলইয় ছিল তাদের উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ আরও দাবি তোলে ভারত পূরো কথা না জানার কারনে ভুল বোঝাবুঝির তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশে সত্যজিৎ রায়ের বাড়ি ভাঙ্গার কথা সামনে আসতেই দিল্লি সরাসরি বাংলাদেশের সরকারকে জানিয়েছিল, বাড়িটি ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি প্রতীক। বাড়িটির সংরক্ষনের দিকে জরুরি নজর দেওয়া উচিত। দরকার পরলে ভারতও সাহায্যের হাত বাড়াতে ইচ্ছুক”। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও সরব হয়েছিলেন এ বিষয়ে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মেহেদি জামান বলেছেন, “ প্রায় দশ বছর ধরে পরিত্যক্ত বাড়িটি শিশু নিরাপত্তায় প্রশ্ন হয়ে দাঁরিয়েছে, তাই ঐ বসভবন ভেঙ্গে নতুন কংক্রিটের বাড়ি তৈরির কথা বলা হয়েছে”।
