ওঙ্কার ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে নিজের বাড়িতেই গনধর্ষণের শিকার হল ক্লাস ৯ এর ছাত্রীর।ধর্ষণের অভযোগ উঠেছে নির্যাতিতার ৩ সহপাঠী ও সমাজমাধ্যমে পরিচিত এক নাবালকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত চার জনকেই আটক করেছে গাজিয়াবাদ থানার পুলিশ। এমন সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর ঘটনাকে খুবই দক্ষতার সঙ্গে সামলাতে তৎপর প্রশাসন।
এই প্রসঙ্গে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ১২ জুলাই, শনিবার। ঐদিন নির্যাতিতার মা বাজারে যাওয়ায় বাড়িতে একাই ছিলেন তিনি। এই সুযোগ নিয়ে সকাল ১১ টার সময় ঐ চার নাবালক নির্যাতিতার বাড়িতে ঢুকে তাকে বিবস্ত্র করে বলে অভযোগ। পরে সেই চারজন মিলে তাঁকে যৌননর্যাতন করতে শুরু করে। কিছুক্ষন পর ঐ কিশোরীর মা ফিরে এসে বাড়ি এসে দেখতে পান মেন দরজা খোলা। তরিঘরি বাড়ি ঢুকে তিনি সামঅনের দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে যান। তিনি দেখেন তাঁর মেয়েকে চারজন মিলে যৌন নিগ্রহ করছে তাঁর নিজের ঘরেই। নির্যাতিতার মা সঙ্গে সঙ্গে নিজের মেয়েকে তাদের হাত থেকে বাঁচিয়ে ঘর থকে বের করে এনে বাকিদের ঘরে ভরে বাইরে থকে দরজা বন্ধ করে দেন। এবং প্রতিবেশিদের ডেকে আনেন ও পরে গাজিয়াবাদ থানায় মামলা দায়ের করেন পরিবার।
প্রাথমিক তদন্তের পর এলাকায় এসিপি ভাস্কর বর্মা জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চার ছাত্রের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত চার জনই নবম, দশম ও একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া। ইনস্টাগ্রামে আলাপের সূত্রে এক অভিযুক্তের সঙ্গে নির্যাতিতার বন্ধুত্ব হয়েছিল। পরে দেখা করার অজুহাতে শনিবার ছেলেটি সরাসরি ওই ছাত্রীর বাড়িতে পৌঁছয় এবং সঙ্গে একই স্কুলের আরও তিন জনকে নিয়ে আসে। অভিযোগ, তারা জোরপূর্বক বাড়িতে ঢুকে পড়ে এবং ছাত্রীটিকে হেনস্থা করে। এসিপি জানিয়েছেন, নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষা চলছে এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, কারণ অভিযুক্ত ও নির্যাতিতা দু’পক্ষই অপ্রাপ্তবয়স্ক। তিনি জানান যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকেরা।
