ওঙ্কার ডেস্ক: সন্দেহভাজন ভোটার প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসের তথ্যের সঙ্গে মিলছে না জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যানের। শনিবার ভার্চুয়াল বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়ে আধিকারিকদের মধ্যে কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তথ্য যাচাইয়ের জন্য।
কমিশন সূত্রের খবর, জাতীয় নির্বাচন কমিশন নিজেদের মতো করে সন্দেহভাজন ভোটার শনাক্তের কাজ করছে। কিন্তু তাঁদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তার সঙ্গে বাংলার পরিসংখ্যান মিলছে না। মনে করা হচ্ছে, এরাজ্যে সন্দেহভাজন ভোটারের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। শুনানির সময় এইআরও এবং ইআরও-দের জন্য অ্যাপ আনা হবে বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এনুমারেশন ফর্ম সংগ্রহ এবং তা ডিজিটাইজেশন করার শেষ দিন ১১ ডিসেম্বর। আগামী ১৬ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ২০২৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা ৫৫ লক্ষ ৩১ হাজার ৪২৩, মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৪৯, স্থানান্তরিত ভোটারের সংখ্যা ১৯ লক্ষ ৩১ হাজার ৩৮৪, ডুপ্লিকেট ভোটার ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৪৯৯। প্রসঙ্গত, রাজ্যে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের প্রক্রিয়া ঘিরে সরগরম রাজনীতি। ইতিমধ্যে বহু মানুষ নাম না থাকা এবং নামের বানান ভুলের কারণে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। এমনকি কাজের চাপে একাধিক বুথ লেভেল আধিকারিক আত্মহত্যা করেছেন বলেও অভিযোগ সামনে এসেছে।
