উত্তর, পূর্ব বা উত্তর-পূর্ব দিকে রাখা শুভ বলে অনেক বাস্তুপদ্ধতিতে মনে করা হয়।
ঘরের নেতিবাচক শক্তি কমিয়ে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে—এমন বিশ্বাস প্রচলিত।
অফিস বা কাজের জায়গায় রাখলে মনোযোগ ও কর্মশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে বলে বাস্তুতে বলা হয়।
শোবার ঘরে রাখা নিয়েও প্রচলিত বিশ্বাস আছে যে এটি শান্ত পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক।
এটি দেখতে সোজা, ঊর্ধ্বমুখী—তাই উন্নতি ও অগ্রগতির প্রতীক হিসেবেও অনেকে বিবেচনা করেন।
বাস্তব দিক থেকে এটি কম আলো ও কম জলেও তুলনামূলক ভালো থাকে, তাই নতুন গাছপ্রেমীদের জন্যও ভালো পছন্দ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাতে অক্সিজেন প্রদান করে। যা ইন্ডোর প্ল্যান্টের ক্ষেত্রে ইতিবাচক।
কীভাবে পরিচর্যা করবেন
আলো:
উজ্জ্বল পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো। কম আলোতেও বাঁচে, তবে একেবারে অন্ধকার জায়গায় দীর্ঘদিন রাখবেন না। সরাসরি তীব্র দুপুরের রোদে রাখলে পাতায় দাগ বা পোড়া হতে পারে।
জল:
স্নেক প্ল্যান্টে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অতিরিক্ত জল না দেওয়া। মাটির উপরিভাগ কয়েক ইঞ্চি শুকিয়ে গেলে জল দিন। বর্ষাকালে বা কম আলোয় আরও কম জল লাগতে পারে।
মাটি:
জল যেন দ্রুত বেরিয়ে যেতে পারে এমন ঝুরঝুরে মাটি ব্যবহার করুন। ক্যাকটাস/সাকুলেন্ট মিক্স ভালো কাজ করে। টবের নিচে অবশ্যই ড্রেনেজ হোল থাকা উচিত।
সার:
বসন্ত ও গ্রীষ্মে মাসে একবার হালকা তরল সার দিতে পারেন। শীতকালে সাধারণত সার না দিলেও চলে।
টব বদলানো:
গাছের শিকড় টব পুরোপুরি ভরে গেলে বা টব থেকে গাছ বেরিয়ে আসতে চাইলে একটু বড় টবে রিপট করুন। সাধারণত ঘন ঘন টব বদলানোর প্রয়োজন নেই।
পাতা পরিষ্কার:
মাঝে মাঝে নরম ভেজা কাপড় দিয়ে পাতার ধুলো মুছে দিন। এতে গাছটিও সুন্দর দেখাবে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
পাতা হলুদ/নরম হয়ে গোড়া থেকে পচতে শুরু করলে সাধারণত বেশি জল দেওয়া বা জল নিষ্কাশনের সমস্যা হতে পারে। এমন হলে জল দেওয়া বন্ধ করে মাটি শুকাতে দিন এবং প্রয়োজনে পচা শিকড় বাদ দিয়ে নতুন ঝুরঝুরে মাটিতে লাগান।