ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম। সেই ঘোষণার পর দলের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের লেটারহেডে বালিগঞ্জ কেন্দ্রের বিধায়কের নাম লিখে বিধানসভায় পাঠান। কিন্তু বিধানসভার সচিবালয়ের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যে ভাবে বিরোধী দলনেতার নাম মনোনীত করা হয়েছে তা নিয়ম বহির্ভূত। এই ভাবে বিরোধী দলনেতা বাছাই করা যায় না বলে বিধানসভার সচিবালয়ের দাবি। ইতিমধ্যে গোটা বিষয়টি অভিষেককে চিঠি লিখে জানানো হয়েছে।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ৮০টি আসনে। সেই বিধায়করা বিরোধী দলনেতা বাছাই করবেন। বিষয়টি নিয়ে বিধানসভার সচিবালয় চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাতে জানানো হবে, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে মানা সম্ভব নয়। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় তৃণমূলের অন্দরে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজেই বিধানসভার রুল বুক দেখেন। তিনি জানান, এই নিয়মের কথা লেখা নেই। নিয়ম জানতে তথ্য জানার অধিকার আইনে চিঠিও দেন বালিগঞ্জের বিধায়ক। বিরোধী দলনেতা বাছাই নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝে সোমবার বন্ধ রাখা হয়েছিল বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘর। বিরোধী দলের বিধায়কদের জন্য একটি ঘর খুলে দেওয়া হয় এদিন। সূত্রের খবর, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সেই ঘরে গিয়েই বসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিরোধী দলনেতা বাছাই নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি বাধ্য হয়েই আরটিআই করেছি। সেখানে আমি জানতে চেয়েছি, ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ক্ষেত্রে কী নিয়ম মানা হয়েছিল?’