ওঙ্কার ডেস্ক: গত শনিবার ফলতায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে জাহাঙ্গির খানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর দিন অর্থাৎ ৫ মে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল। ১০ মে পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে পাঁচটি এফআইআর দায়ের হয়। এই পরিস্থিতিতে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ফলতার তৃণমূল প্রার্থী। আদালত অবশ্য তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট সোমবার জানিয়েছে, জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না পুনর্নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত। আগামী ২৪ মে পর্যন্ত জাহাঙ্গিরের রক্ষাকবচ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।
বিচারপতি সুগত ভট্টাচার্য সোমবার নির্দেশে জানিয়েছেন, তৃণমূল প্রার্থীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দিতে হবে। তদন্তে তিনি সহযোগিতা করবেন। তাঁর বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত যত এফআইআর দায়ের হয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রে রক্ষাকবচ পাবেন তিনি। এদিন পুলিশের তরফে হাইকোর্টে জানানো হয়েছে, ফলতা থানায় জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে প্রথম এফআইআর দায়ের হয় গত ৫ মে। এর পর তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি এফআইআর দায়ের হয় গত ১০ মে। গত ১৫ মে আবার একটি এফআইআর দায়ের হয় তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে ভোটারদের ভয় দেখানো ও কারচুপির।
যদিও জাহাঙ্গিরের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। ফলতায় নির্বাচনের আগে তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। পুলিশের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ জমা পড়েছে তা-ও জানতে চেয়েছেন জাহাঙ্গির। ২৬ মে হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। উল্লেখ্য, ইভিএম-এ কারচুপির অভিযোগে ফলতা বিধানসভার সমস্ত বুথে নির্বাচন বাতিল করেছে কমিশন। আগামী ২১ মে ওই আসনের সমস্ত বুথে পুনর্নির্বাচন। ফলপ্রকাশ হবে ২৪ মে।