স্পোর্টস রিপোর্টার, ওঙ্কার বাংলা : ছোট খেলা যে তিমিরে ছিল, পড়ে রয়েছে সেই তিমিরেই । সময় বদলেছে । রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে । বদলেছে ক্রীড়ামন্ত্রীও । কিন্তু বদলাইনি পরিস্থিতি । খোকো’তে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েও চাকরি পাওয়া তো দূরের কথা, চাকরির আশ্বাস টুকু নেই রাজ্য সরকারের কাছ থেকে। এই ক্ষোভ’ই ঝরে পড়লো রাজ্য খোকা সংস্থার সভাপতি কমলেশ চ্যাটার্জির কন্ঠে।
খোখো’তে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। সেই ভারতীয় দলের একমাত্র বঙ্গ সন্তান সুমন বর্মনকে না দেওয়া হয়েছে কোনও সংবর্ধনা না খবরের কাগজে উঠেছে নাম। প্রচারের অন্ধকারেই রয়ে গিয়েছে উজ্জ্বল করাই বঙ্গসন্তান। অথচ রিচা ঘোষ যখন বিশ্বকাপ জিতে শহরে পা রেখেছিলেন তখন ঘটা করে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল ইডেন গার্ডেন্সে, সংবর্ধিত হয়েছিলেন নিজের জন্মভিটে শিলিগুড়িতেও। কিন্তু সুমনের জন্য জোটেনি কোনো সংবর্ধনা কিংবা চাকরি। সন্তোষ ট্রফি জিতে বাংলার ছেলেরা চাকরি পেলেও বঞ্চিত রয়ে গিয়েছে ছোট খেলা।
বর্তমান বিওএ সভাপতি চন্দন রায় চৌধুরী কিংবা সচিব জহর দাস দুজনেই উদাসীন। বেঙ্গল অলিম্পিকের পূর্ববর্তী সভাপতি অজিত বন্দোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাদা। মুখ্যমন্ত্রী ছোট ভাই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ও একটা সময় বিওএ-এর সভাপতি ছিলেন। তাঁদের কাছে তদ্বির করেও কোনও লাভ হয়নি।
ঘটা করে রাজ্যে পালিত হয় ক্রীড়া প্রেমী দিবস, রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেন তিনিও দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু প্রশ্ন একটাই ক্রীড়ার প্রতি এই ভালোবাসা কি শুধু ক্রিকেট এবং ফুটবলের জন্য, তাহলে কোথায় যাবে ছোট খেলাগুলি এবং এই খেলার সঙ্গে যুক্ত খেলোয়াড়রা।