স্পোর্টস ডেস্ক : ফুটবল দল তৈরীর ৩ বছরের মাথাতই ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ডায়মন্ড হারবার এফসি। বাটা স্টেডিয়াম থেকে যাত্রা শুরু হয়ে দল এই জায়গায়। ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ফাইনালে উঠলেও শনিবার যুবভারতীতে সামনে গতবারের চ্যাম্পিয়ন নর্থ ইস্ট। তবে ডায়মন্ডহারবারের জন্য শনিবার কিন্তু গলা ফাটাবে গোটা স্টেডিয়াম। বাকি ৩ প্রধানের মেম্বারদের ইতিমধ্যেই রাজ্যের শাসক দলের তরফে নির্দেশ আছে গ্যালারি ভরিয়ে ডায়মন্ডহারবার দলকে সমর্থন করার জন্য। ডায়মন্ড দলও ১৫ হাজার টিকিট তুলেছে। যদিও ডায়মন্ডহারবার কোচ কিবু ভিকুনা এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন, ফুটবলে সবকিছু সম্ভব। আমার ছেলেরা ১০০ শতাংশ দেবে। আমরা ট্রফি জিততে চাই। ‘ইস্টবেঙ্গল কঠিন দল। ওদের হারানো সহজ ছিল না। আমরা জিতেছি। আমরা শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল খেলেছি। এই ফুটবলটা বজায় রাখব। অনেক সময় শৃঙ্খলা ও দলের ফুটবলারদের একতা পরিকল্পনার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়। সেটা ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে দেখা গিয়েছে।
জীবনের মতো ফুটবলেও আত্মবিশ্বাস খুব জরুরি। নতুন ফুটবলার মানে ওরা খারাপ নয়। ওরা প্রতিদিন উন্নতি করছে। দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরে লড়ছে। অভিজ্ঞতা আর তারুণ্য আমার দলের সম্পদ। ‘অভিষেক বন্দোপাধ্যায় দলকে ট্রফি জয়ের বার্তা দিলেও তিনি আসতে পারবেন না ফাইনালে। এদিকে গতবারের চ্যাম্পিয়ন নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির স্প্যানিশ কোচ হুয়ান পেদ্রো বেনালি এবং অধিনায়ক মিকেল জাবাকো। আত্মবিশ্বাসী হলেও, প্রতিপক্ষ ডায়মন্ড হারবারকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখছেন না কোচ বেনালি। তিনি বলেন, “এটা ফাইনাল। এখানে নতুন বা পুরনো দলের প্রশ্ন নেই। এটা দুটো দলের লড়াই। ডায়মন্ড হারবার অসাধারণ একটা দল, যারা এই বছর ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছে। আমরা তাদের প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান জানাই। কিন্তু ফাইনাল মানেই চাপ, মানেই লড়াই।
‘
