স্পোর্টস রিপোর্টার : ক্যালকাটা কাস্টমস আর ভবানীপুরের কাছে হেরে কলকাতা লিগে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গেছিল মোহনবাগান। সেখান থেকে বিধাননগর এম এসের কাছে ৩-০ গোলে জিতে নিল মোহনবাগান।১০ মিনিটে বাঁ-দিক থেকে রবিলাল মাণ্ডির ক্রস ঠিক জায়গায় পৌঁছয়নি। তবে তার চার মিনিট পরেই খুলে যায় গোলের দরজা। সুহেলে ভাটের রক্ষণচেরা পাস থেকে বল পেয়ে বিধাননগরের জালে বল জড়ান কিয়ান।
২০ মিনিটে দুর্দান্ত ভাবে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন বিভানজ্যোতি লস্কর। কিন্তু অ্যাঙ্গেল ঠিক না থাকায় গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। ২২ মিনিটে ড্রিবল করে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন কিয়ানও। বিধাননগরের রক্ষণ শেষ মুহূর্তে বিপদ সামলে নেয়। ৩১ মিনিটে সায়নের বাড়ানো বলে জোরালো শট নিয়েছিলেন কিয়ান। দুরন্ত সেভ করে বিধাননগরকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন তাদের গোলকিপার। ৩৮ মিনিটে বিধাননগরের এক ফুটবলারের দূরপাল্লার শট অনায়াসে রুখে দেন মোহনবাগানের গোলকিপার। ৪০ মিনিটে ফের হতাশ হতে হয় বাগানকে। সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। দু’মিনিট পর তন্ময় ঘোষের দূরপাল্লার শটও অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট। তবে বিরতির ঠিক আগে বিভানের বাড়ানো বল থেকে দ্বিতীয় গোলটি করেন কিয়ান নাসিরি। প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মোহনবাগান।৪৫ মিনিটেই তার ভিত গড়ে দেয় কিয়ানের জোড়া গোল। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরতে গেলে বিরাট কিছু করতে হত বিধাননগরকে। তবে তা আর হয়নি। ৬০ মিনিটে নিশ্চিত পতন রোধ করেন মোহনবাগান গোলকিপার জাহিদ। ৬৫ মিনিটে সায়নের শট সেভ করেন বিধাননগর গোলকিপার। রিবাউন্ডে গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করলেন মোহনবাগান অধিনায়ক কিয়ান নাসিরি। ৭৭ মিনিটে তাঁকে তুলে নিলেন কোচ। তবে এতে ম্যাচের ফলাফলে কোনও বদল ঘটেনি। এই জয়ের ফলে অনেকটাই তৃতীয় স্থানে উঠে এল বাস্তব রায়ের দল। কলকাতায় তাঁর পা রাখার দিনেই ঘরোয়া লিগে জয়ে ফিরল মোহনবাগান।