ওঙ্কার ডেস্ক: পড়াশোনার চাপ আর সামলাতে পারছিল না তাই চরম সিদ্ধান্ত নিল ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী। গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করল নাবালিকা। ঘটনাটি ঘটেছে গুরুগ্রামে। ওই পড়ুয়ার ঘর থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছে পুলিশ। যেখানে পড়াশোনার জন্য চাপকে দায়ী করেছে ওই কিশোরী।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম অদিতি। বুধবার রাতে নিজের ঘরে ঘুমাতে গিয়ে এই চরম পদক্ষেপ করে সে। পর দিন সকালে, তার মা তাকে জাগাতে ঘরে যান। কিন্তু দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। বারবার ফোন করা সত্ত্বেও, দরজা না খোলায় জানালা দিয়ে ঘরের ভিতরে দেখার চেষ্টা করেন তিনি। তখনই দেখতে পান সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছে ওই কিশোরী। গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয় পরিবার। তদন্তকারীরা দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
মৃত কিশোরীর ঘর থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার করেছে পুলিশ। যেখানে সে লিখেছে, বৃহস্পতিবার পরীক্ষা রয়েছে তার। কিন্তু কোথা থেকে পড়া শুরু করবে তা জানে না। এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, বন্ধুদের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেওয়ার কথা অদিতি তার ডায়েরিতে লিখেছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, অদিতি পরিবারের সঙ্গে গত এপ্রিল মাসে লখনউ থেকে গুরুগ্রামে চলে আসে। একটি বেসরকারি স্কুলে নবম শ্রেণীতে তাকে ভর্তি করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর মা হরদইয়ের একটি সরকারি চাকরি করেন এবং বাবা বেঙ্গালুরুতে একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। বাবা মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
