
ওঙ্কার ডেস্ক: ২৬ হাজার চাকরি প্রাপকদের ভবিষ্যৎ কী তা বৃহস্পতিবার নির্ধারণ হতে চলেছে। এদিনই সুপ্রিম কোর্ট এই সংক্রান্ত মামলায় রায় ঘোষণা করবে।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল ঘোষণা করে। গতবছর ২২ এপ্রিল এই নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। আদালতের এই নির্দেশের ফলে চাকরি যায় ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের। যাঁরা মেয়াদ-উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি পেয়েছিলেন, পাশাপাশি যাঁরা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি বাগিয়েছিলেন, তাঁদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে।
পরে সেই মামলা গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালতে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার, স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। চাকরিহারাদের একাংশও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়। সেই মামলার শুনানি হলেও রায়দান স্থগিত রাখা হয়। বৃহস্পতিবার এই মামলায় রায়দান করতে চলেছে শীর্ষ আদালত।
উল্লেখ্য গত ১০ ফেব্রুয়ারি এই মামলার শুনানির সময় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই আর্জি জানিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের রায় বহাল রাখার জন্য। অন্যদিকে এসএসসি জানায়, র্যাঙ্ক জাম্প বা প্যানেল বহির্ভূত নিয়োগের তথ্য থাকলেও ওএমআর শিটে কারচুপির তথ্য তাদের কাছে নেই। পাশাপাশি রাজ্যের তরফে বলা হয়, একসঙ্গে এত শিক্ষকের চাকরি বাতিল করা হলে বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। সব পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে রায়দান স্থগিত রাখে সুপ্রিম কোর্ট।