ওঙ্কার ডেস্কঃ ইউজিসির লাগু করা ‘ইক্যুইটি রেগুলেশনে’ স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিজ্ঞপ্তি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। প্রশ্ন তোলা হয়, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও জাতপাতের এই বিভাজন কেন! সম্প্রতি সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে ইউজিসির নয়া ইক্যুইটি রেগুলেশনের বিধি চালু হয়েছে ।
কেন্দ্রের দাবি, এই ইক্যুইটি রেগুলেশনের লক্ষ্যই সমাজের সমস্ত শ্রেণির জন্য সমান, নিরাপদ এবং সম্মানজনক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা। নতুন নিয়মে ‘কাস্ট-বেসড ডিসক্রিমিনেশন’ বা জাতিভিত্তিক বৈষম্যের সংজ্ঞা হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে এমন বৈষম্য হিসেবে, যা শুধুমাত্র তফসিলি জাতি (এসসি), উপজাতি (এসটি) এবং ওবিসিদের বিরুদ্ধে করা হয়। অর্থাৎ সাধারণ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বা শিক্ষকরা কার্যত বাদ পড়ছেন। এই বিধি কার্যকর হতেই এই নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।
ইউজিসির নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একটি সুযোগ-সাম্য কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। যা পুলিশ ও জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সমাজমাধ্যম, জেলা প্রশাসন এবং পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে চলবে।
এর পরেই বিরোধিতায় সরব হন পড়ুয়ারা। বিশেষ করে জেনারেল কাস্ট পড়ুয়ারা ওই বিধির বিরোধিতায় সরব। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও হয়। বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ ওই নয়া নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ দিল। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দল, ২০১২ সালে যে ইউজিসির ইক্যুইটি রেগুলেশন বিধি ছিল সেটাই আপাতত কার্যকর থাকবে।
