ওঙ্কার ডেস্ক: মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের বিকল্প হিসেবে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার বিরোধিতা করল কেন্দ্রীয় সরকার। আর যার ফলে অখুশি সুপ্রিম কোর্ট। এদিন সর্বোচ্চ আদালতে একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি চলছিল। মৃত্যুদণ্ডের প্রচলিত পদ্ধতি অর্থাৎ ফাঁসির বিকল্প হিসেবে প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আর্জি জানানো হয়, অথবা অন্তত দোষী ব্যক্তিদের একটি বিকল্প বেছে নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার আবেদন করা হয়।
আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা এদিন বলেন, ‘অন্তত দোষী বন্দিকে একটি বিকল্প দিন… তারা ফাঁসি চাইবে নাকি প্রাণঘাতী ইনজেকশন চাইবে… প্রাণঘাতী ইনজেকশন দ্রুত, মানবিক এবং শালীন, উল্টো দিকে ফাঁসি নিষ্ঠুর, বর্বর এবং দীর্ঘস্থায়ী।’ আরও উল্লেখ করা হয়, সামরিক বাহিনীতে এই ধরনের বিকল্প দেওয়া হয়। তবে সরকারের তরফে পাল্টা হলফনামা দিয়ে বলা হয়, বিকল্প দেওয়া সম্ভব নয়। তারপর বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ মৌখিক পর্যবেক্ষণে জানায়, সরকার ‘সময় অনুযায়ী পরিবর্তনের সঙ্গে বিবর্তিত হতে প্রস্তুত নয়।’
বিচারপতি বলেন, ‘সমস্যা হল সরকার বিবর্তিত হতে প্রস্তুত নয়… এটি একটি অনেক পুরনো পদ্ধতি (ফাঁসি দিয়ে মৃত্যু)। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির বদল হয়েছে।’ এই আবহে সরকারের পক্ষের আইনজীবী সিনিয়র অ্যাডভোকেট সোনিয়া মাথুর একটি পাল্টা হলফনামায় নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। যেখানে বলা হয়, বন্দিদের পছন্দের সুযোগ দেওয়ার সঙ্গে নীতিগত সিদ্ধান্ত জড়িত। শীর্ষ আদালত মামলাটি ১১ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করে।
