ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্যের সংখ্যালঘু সমাজের ছাত্রছাত্রীরা অনেকেই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। এই শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত হয় পৃথক বোর্ডের মাধ্যমে। রাজ্যে মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের যুক্ত করতে বড় ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা না থাকার পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। বৃহস্পতিবার গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনে বিদ্যাভারতীর বার্ষিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেখতে থাকুন ধীরে ধীরে, আলাদা করে কোনও মাদ্রাসা এডুকেশন সিস্টেম থাকবে না। সব বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষা দপ্তর দেখবে আর আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা করে দেখা হবে, এসব চলবে না।’ এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি অনুদান পেতে হলে স্কুলের প্রার্থনা সভায় পূর্ণাঙ্গ ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে। তাঁর কথায়, ‘প্রথমে কয়েক জনের আপত্তি ছিল, কেন পুরোটা গাইতে হবে। আমি বললাম, সরকারি সাহায্য নেওয়া এবং দেওয়া দু’টোই বন্ধ হবে। শিক্ষা সচিব ভিডিও পাঠালেন, দেখলাম অনেকে দাঁড়িয়ে আছেন কিন্তু ঠোঁট নড়ছে না। বললাম ঠোঁটও নাড়াতে হবে।’ নয়া বিজেপি সরকার রাষ্ট্রবাদের সঙ্গে কোনও আপোস করবে না তা জানিয়ে তিনি বলেন, এই সরকার রাষ্ট্রবাদী সরকার। তিনি জানান শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, দীনদয়াল উপাধ্যায়, বিদ্যাসাগর, স্বামীজির ভাবধারাকে সামনে রেখে এগিয়ে যাবে তাঁর সরকার।
স্কুলের সিলেবাস নিয়ে বিগত তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সিঙ্গুরে টাটাকে তাড়ানো সিলেবাসে ছিল। কিন্তু ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, স্বামী প্রণবানন্দর পশ্চিমবঙ্গ তৈরির ইতিহাস পাঠ্যসসূচিতে রাখা হয়নি।’