ওঙ্কার ডেস্ক: কৌশিকী অমাবস্যার আগে তারাপীঠে গিয়ে মা তারার পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।মাথায় ডালা নিয়ে শনিবার মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন তিনি। লাল বেনারসি, পদ্ম ও অপরাজিতার মালা দিয়ে দেবীর আরাধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে পুষ্পাঞ্জলিও দেন শুভেন্দু। এরপর মা তারাকে নিজের হাতে মালা পরিয়ে দেন। মন্দিরে আরতিতেও অংশ নেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। পুজো শেষে দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে আসেন শুভেন্দু।
মন্দির চত্বরে শুভেন্দুকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ছবি ও সেলফি তুলতে এগিয়ে আসেন। কৌশিকী অমাবস্যাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তারাপীঠে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। উৎসবের দিন বিপুল ভক্ত সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রীর মন্দিরে পুজো দেওয়া ঘিরে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে ভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে। নিরাপত্তা ও পরিষেবা নিয়েও প্রশাসন প্রস্তুত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পুজো শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মা তারার আশীর্বাদেই সরকার তৈরি হয়েছে। বীরভূমের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি। শুভেন্দুর কথায়, মা তারা এবং রবীন্দ্রনাথের ঐতিহ্যকে সামনে রেখে বীরভূমকে নতুনভাবে গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী স্থানে গিয়েছেন। কালীঘাট-সহ একাধিক জায়গা ঘুরলেও তারাপীঠে আসা বাকি ছিল। এবার সেই ইচ্ছাও পূরণ হল। তারাপীঠ থেকে দেউচা-পাচামি প্রকল্প নিয়েও মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ইতিবাচক বার্তা দেন। আগের সরকারের নীতির সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, তাদের মন্ত্র ছিল ‘না’। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকারের নীতি হল ‘হ্যাঁ’। উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার ইতিবাচক মনোভাব নিয়েই এগোবে বলেও বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী।