কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের তরফে নতুন নাম ও প্রতীক বরাদ্দের দিনই নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল শিবির। নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলেন। আর তার আগেই তাঁর শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি দলের প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই নন্দীগ্রামের জন্য সঞ্চিতা প্রধানের নাম ঘোষণা করেছিল কালীঘাট। কঠিন সময়ে দলের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে কিছুদিন আগেই অখিল গিরিকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু শুক্রবার পরিস্থিতি বদলে যায়। কমিশন যখন তৃণমূলের দুই শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করল, ঠিক সেই সময়ই আচমকা সঞ্চিতা দে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁকে বৈঠকে বসে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি নন্দীগ্রাম থেকে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার নেপথ্যে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে হওয়া ওই বৈঠকের যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “এখানে দুটো বিষয় আছে। এক, উনি চাপ সহ্য করতে পারেননি। দুই, নন্দীগ্রামে আমাদের সংগঠন দুর্বল। ফলে সেখানে নেতৃত্বের নজরদারি, প্রার্থীকে আগলে রাখার যে বিষয় ছিল, তা হয়নি।”
নতুন প্রতীক পাওয়ার পরও নন্দীগ্রামের মতো হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্রে প্রার্থী না রাখতে পারা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে মমতা শিবির। অন্যদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে বঙ্গে।